পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরের নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকার দেশে পুনরায় মৃত্যুদণ্ড ব্যবস্থা চালু করেছে এবং একই সঙ্গে সব ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত একটি নতুন দণ্ডবিধির মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ, রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও গোয়েন্দাগিরির মতো মারাত্মক অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিলুপ্ত হওয়া এই আইনটির পক্ষে ৭১ জন আইনপ্রণেতার সবাই ভোট দেন। ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করতে এটি জরুরি ছিল বলে জানান বিচারমন্ত্রী এদাসো রদ্রিগ বায়ালা।
মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে ইব্রাহিম ট্রাওরের সরকার। গত ৮ জুন দেশটির সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সব সুন্দরী প্রতিযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দেয়। তবে নারীদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে বিজ্ঞান প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সম্মাননা দিয়েছে সরকার।
সামরিক সরকারের এসব সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ ও ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’ সতর্ক করে বলেছে, রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করতে নতুন এই দণ্ডবিধির অপব্যবহার হতে পারে।























