রাত ৪:২৭, বুধবার,১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্য প্রকাশে সবসময়
Advertisement
  • মূলপাতা
    শাহজালালের রানওয়েতে অদৃশ্য আতঙ্ক: ভিটিএস ফাঁকি দিচ্ছে এয়ারলাইনসগুলো, ঝুঁকিতে আকাশপথ!

    শাহজালালের রানওয়েতে অদৃশ্য আতঙ্ক: ভিটিএস ফাঁকি দিচ্ছে এয়ারলাইনসগুলো, ঝুঁকিতে আকাশপথ!

    রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় লাফ: ১ লাখ কর্মী পাঠানোর মহাপরিকল্পনা ও ঢাকা-মস্কো সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

    রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় লাফ: ১ লাখ কর্মী পাঠানোর মহাপরিকল্পনা ও ঢাকা-মস্কো সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

    লালমনিরহাট সীমান্ত সমীকরণ: ফ্লাডলাইট বনাম আতশবাজি—দুর্গাপুরে হঠাৎ উত্তেজনার কারণ কী?

    লালমনিরহাট সীমান্ত সমীকরণ: ফ্লাডলাইট বনাম আতশবাজি—দুর্গাপুরে হঠাৎ উত্তেজনার কারণ কী?

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সমীকরণ: কাঁটাতারে বন্দি লিং কং গ্রামের ভবিষ্যৎ কী?

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সমীকরণ: কাঁটাতারে বন্দি লিং কং গ্রামের ভবিষ্যৎ কী?

    ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি

    ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি

    ৫ মিনিটের ব্যবধানে দু’বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো সিলেট

    দেশে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
    শাহজালালের রানওয়েতে অদৃশ্য আতঙ্ক: ভিটিএস ফাঁকি দিচ্ছে এয়ারলাইনসগুলো, ঝুঁকিতে আকাশপথ!

    শাহজালালের রানওয়েতে অদৃশ্য আতঙ্ক: ভিটিএস ফাঁকি দিচ্ছে এয়ারলাইনসগুলো, ঝুঁকিতে আকাশপথ!

    রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় লাফ: ১ লাখ কর্মী পাঠানোর মহাপরিকল্পনা ও ঢাকা-মস্কো সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

    রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় লাফ: ১ লাখ কর্মী পাঠানোর মহাপরিকল্পনা ও ঢাকা-মস্কো সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

    লালমনিরহাট সীমান্ত সমীকরণ: ফ্লাডলাইট বনাম আতশবাজি—দুর্গাপুরে হঠাৎ উত্তেজনার কারণ কী?

    লালমনিরহাট সীমান্ত সমীকরণ: ফ্লাডলাইট বনাম আতশবাজি—দুর্গাপুরে হঠাৎ উত্তেজনার কারণ কী?

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সমীকরণ: কাঁটাতারে বন্দি লিং কং গ্রামের ভবিষ্যৎ কী?

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সমীকরণ: কাঁটাতারে বন্দি লিং কং গ্রামের ভবিষ্যৎ কী?

    ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি

    ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি

    ৫ মিনিটের ব্যবধানে দু’বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো সিলেট

    দেশে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের দাবি

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

    সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
সত্য প্রকাশে সবসময়
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

স্বাধীন বিচারব্যবস্থার স্বপ্ন: নাগালের মধ্যে থাকলেও ফসকে যেতে পারে

Correspondent 2 by Correspondent 2
ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
in সম্পাদকীয়
0
স্বাধীন বিচারব্যবস্থার স্বপ্ন: নাগালের মধ্যে থাকলেও ফসকে যেতে পারে

নির্বাহী প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ গড়ার ঐতিহাসিক সুযোগ বাস্তবায়নের পরীক্ষায় বাংলাদেশ

স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের দীর্ঘ ব্যর্থতার ইতিহাস, সাম্প্রতিক অধ্যাদেশে পাওয়া সুযোগ এবং বাস্তবায়নে বিচারকদের নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অপরিহার্যতা নিয়ে বিশ্লেষণ।

স্বাধীন বিচারব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশের ব্যর্থতার ইতিহাস আসলে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে না পারারই প্রতিচ্ছবি। সংবিধানে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে কার্যকরভাবে পৃথক করতে আমাদের লেগেছে প্রায় ৫৩ বছর। অবশেষে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের অধ্যাদেশ জারি হওয়ায় সেই দীর্ঘ লড়াই একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পৌঁছেছে। তবে এই অর্জন কতটা টেকসই হবে, তা নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ বাস্তবায়নের ওপর।

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধান বিচারপতির অধীনস্থ পৃথক সচিবালয় ছাড়া বিচার বিভাগ কখনোই আইন মন্ত্রণালয় ও আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হতে পারত না। এ উদ্যোগের জন্য সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং বর্তমান প্রধান বিচারপতির ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে।

তবে এই অগ্রগতির বিপরীতে একটি অস্বস্তিকর সত্য হলো—খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারগুলো, এমনকি জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদের সামরিক সরকারও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ফলে প্রশ্ন থেকেই যায়, সংবিধানের মৌলিক নীতিতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা থাকলেও কেন এই কাজটি করতে পাঁচ দশকের বেশি সময় লেগেছে?

এই বিলম্বের মূল কারণ দুটি—জবাবদিহিহীন রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং শক্তিশালী আমলাতন্ত্র, যারা কখনোই নিজেদের ক্ষমতাকে প্রশ্ন করতে পারে এমন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশে আগ্রহী ছিল না। শুরু থেকেই শক্তিশালী সরকারের নামে নির্বাহী বিভাগের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। এর ফলে আইনসভা ও বিচার বিভাগ ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

সংসদ কখনোই স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠেনি। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের রাবার স্ট্যাম্পে পরিণত হওয়া সংসদে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা ও দলীয় প্রধান—এই তিন পদ একই ব্যক্তির হাতে থাকার কারণে ক্ষমতার ভারসাম্য পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে। স্পিকারের ভূমিকা নিরপেক্ষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তিনি শাসক দলের অনুগত প্রতিনিধি হিসেবেই কাজ করেছেন।

এই বাস্তবতায় নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহি নিশ্চিত করার শেষ ভরসা ছিল বিচার বিভাগ। কিন্তু সেটিকেও দুর্বল করতে নানা কৌশল নেওয়া হয়েছে। আমলাতন্ত্রের প্রভাব, রাজনৈতিক চাপ এবং বিচার বিভাগের অভ্যন্তরীণ আপসকামিতার কারণে নির্বাহী হস্তক্ষেপ বহু ক্ষেত্রেই প্রতিরোধের মুখে পড়েনি। বরং জামিন না দেওয়া, রিমান্ডের অপব্যবহার, এক ঘটনায় একাধিক মামলা গ্রহণ—এসবের মাধ্যমে রাজনৈতিক হয়রানি বৈধতা পেয়েছে।

বিচারকদের নৈতিক সাহসের ঘাটতিও এই সংকটকে গভীর করেছে। ইতিহাসে খুব কমই দেখা গেছে, কোনো বিচারক ন্যায়বিচার ক্ষুণ্ন হওয়ার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন। উল্টো বহু ক্ষেত্রে নির্বাহী বিভাগের অন্যায্য সিদ্ধান্তে বিচার বিভাগ নীরব সমর্থন দিয়েছে। এর চূড়ান্ত উদাহরণ ছিল প্রধান বিচারপতি এস. কে. সিনহার অপসারণ, যেখানে আপিল বিভাগের বিচারকদের ভূমিকা বিচার বিভাগের মর্যাদাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যে কাঠামোগত ভিত্তি তৈরি করেছে, তা আইনে রূপান্তর করা হবে কি না—এটাই হবে ভবিষ্যৎ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর প্রথম বড় পরীক্ষা। তবে শুধু আইন করলেই স্বাধীন বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত হবে না। এর বাস্তব প্রয়োগ নির্ভর করবে বিচারকদের নৈতিক দৃঢ়তা, সাহস ও নাগরিক অধিকারের পক্ষে অবস্থানের ওপর।

যদি নির্বাহী বিভাগ নিজের সীমার মধ্যে থাকে, আইনসভা দলীয় আনুগত্যের বাইরে গিয়ে জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করে এবং বিচার বিভাগ ক্ষমতাসীনদের নয়, জনগণের পক্ষে দাঁড়ায়—তাহলেই বাংলাদেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে। অন্যথায়, স্বাধীন বিচারব্যবস্থার স্বপ্ন নাগালের মধ্যেই থেকেও আবার ফসকে যেতে পারে।

Tags: আইন ও আদালতগণতন্ত্রবিচার বিভাগের স্বাধীনতাসংবিধানস্বাধীন বিচারব্যবস্থা
Previous Post

উপহার মোড়াতে গণিত যেভাবে হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় সহায়ক

Next Post

হাদিকে গুলির পর সিলেটগামী ট্রেনে পালিয়েছে ফয়সাল ও ডাবলু

Correspondent 2

Correspondent 2

Related Posts

মেঘালয়ে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তোড়জোড়: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন ‘মরণফাঁদ’?
সম্পাদকীয়

মেঘালয়ে ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তোড়জোড়: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন ‘মরণফাঁদ’?

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
0
বাংলাদেশে যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বিকশিত হতে পারে না
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বিকশিত হতে পারে না

এপ্রিল ১৭, ২০২৬
0
রাষ্ট্রভাবনার পাশাপাশি কেন সমাজভাবনাও জরুরি
সম্পাদকীয়

রাষ্ট্রভাবনার পাশাপাশি কেন সমাজভাবনাও জরুরি

এপ্রিল ১২, ২০২৬
0
বাল্যবিবাহের পক্ষে প্রচার থামাবে কে
সম্পাদকীয়

বাল্যবিবাহের পক্ষে প্রচার থামাবে কে

এপ্রিল ১২, ২০২৬
0
ওরা দেশদ্রোহী
সম্পাদকীয়

জ্বালানি সংকটের জেরে নড়াইলে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যা: দেশজুড়ে হাহাকার ও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

মার্চ ৩০, ২০২৬
0
ওরা দেশদ্রোহী
সম্পাদকীয়

ওরা দেশদ্রোহী

মার্চ ২৯, ২০২৬
0
Next Post
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন সন্দেহভাজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কারের ঘোষণা ডিএমপির

হাদিকে গুলির পর সিলেটগামী ট্রেনে পালিয়েছে ফয়সাল ও ডাবলু

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • চীনের জন্য উত্তর কোরিয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  • বিশ্বে বাড়ছে পারমাণবিক ঝুঁকি, অস্ত্রভাণ্ডার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে ব্যস্ত পরাশক্তিগুলো
  • কিউবাকে ‘পুনর্দখলের’ পথে যুক্তরাষ্ট্র? পুরোনো দাবি ঘিরে নতুন চাপ
  • লেবানন ইস্যুই কেন ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে উঠেছে
  • মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে চার অঙ্গরাজ্যে প্রাইমারি ভোট, নজর মেইনের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে

Recent Comments

No comments to show.

Archives

  • June 2026
  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

Browse by Category

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
  • About Us
  • Archives
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Home 1
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

© 2025

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

© 2025