উচ্চমানের গম রপ্তানি, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার বার্তা দিলো কানাডীয় হাইকমিশন
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে চায় কানাডা। উচ্চমানের গম রপ্তানি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অভিন্ন সমৃদ্ধিকে সামনে রেখে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার বার্তা দিয়েছে কানাডীয় হাইকমিশন।
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি আস্থা ও অভিন্ন সমৃদ্ধির ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব জোরদার করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছে কানাডা। রোববার কানাডীয় হাইকমিশন এক বিবৃতিতে জানায়, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলে তারা আশাবাদী।
২৩ থেকে ২৫ নভেম্বর ঢাকায় সিরিয়ালস কানাডা, কানাডিয়ান গ্রেইন কমিশন এবং আলবার্টা গ্রেইনসের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য ও বাজার-সংযোগমূলক কার্যক্রমকে সামনে রেখে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। সফরের অংশ হিসেবে সিরিয়ালস কানাডার নেতৃত্বে বার্ষিক নিউ ক্রপ সেমিনার আয়োজন করা হয়, যেখানে দেশের মিল-মালিক, বেকারি উৎপাদক এবং গম আমদানিকারকরা কানাডার ২০২৫ সালের নতুন গম ফসলের মান, বৈশিষ্ট্য ও গ্রেডিং মান সম্পর্কে অবহিত হন।
কারিগরি সেশনগুলোতে মূলত দুই দেশের স্থায়ী বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে সঠিক ক্রয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তার বিষয়গুলো সামনে আনা হয়।
কানাডীয় হাইকমিশন জানায়, বাংলাদেশের জন্য কানাডা একটি নির্ভরযোগ্য উচ্চমানের গম সরবরাহকারী দেশ। বৈশ্বিক মানসম্পন্ন গবেষণা, স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং উৎপাদন থেকে পরিবহন পর্যন্ত কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে কানাডিয়ান গম আন্তর্জাতিক বাজারে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছে।
বাংলাদেশের খাদ্যশিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণ বিবেচনায় কানাডা বলেছে, তারা কেবল মানসম্পন্ন গম সরবরাহেই নয়, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হয়ে থাকবে।
কানাডার মতে, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা খাতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং গম-বাণিজ্যীয় সম্পর্ক সেই সহযোগিতার মূল ভিত্তিগুলোর একটি হয়ে থাকবে।
















