অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ঘিরে সমালোচনার জবাবে সরকারের ১৫ মাসের অর্জন তুলে ধরেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিচার সংস্কার, কূটনৈতিক সাফল্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ বহু অর্জন উল্লেখ করেন তিনি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ঘিরে সাম্প্রতিক সমালোচনার জবাবে, সরকারের ১৫ মাসের সাফল্যের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। মঙ্গলবার ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেন—সরকার দুর্বল নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠন ও কাঠামোগত সংস্কারে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখছে এই অন্তর্বর্তী প্রশাসন।
তিনি উল্লেখ করেন, বিপ্লব–পরবর্তী ১,৭০০টির বেশি বিক্ষোভ-অস্থিরতার মধ্যেও কোনো প্রতিশোধমূলক ক্র্যাকডাউন, গুম বা সাজানো ক্রসফায়ার হয়নি—যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
প্রেস সচিবের তুলে ধরা সাফল্যের তালিকায় রয়েছে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, লবিং ছাড়াই মার্কিন শুল্ক সুবিধা অর্জন, ১৫ মাসে রেকর্ড সংখ্যক আইন পাস, বিচার ব্যবস্থায় বড় কাঠামোগত পরিবর্তন, এবং জুলাই ঘোষণা ও চার্টারের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি।
তিনি আরও জানান—লালদিয়া টার্মিনাল চুক্তির মাধ্যমে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ইউরোপীয় বিনিয়োগ এসেছে। ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণে এসেছে, মুদ্রা স্থিতিশীলতা ফিরে পেয়েছে, আর খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
গণমাধ্যম স্বাধীনতা, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার জবাবদিহিতা এবং অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার প্রক্রিয়াকে তিনি সরকারের বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।
পোস্টের শেষে তিনি দাবি করেন—বাংলাদেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এত বেশি কাঠামোগত পরিবর্তন আর কোনো সরকার আনতে পারেনি।
















