পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক বছরে কাশ্মীরকেন্দ্রিক একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে হিজবুল মুজাহিদিন, লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম উঠে এসেছে।
সর্বশেষ ঘটনায় জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার বাসিন্দা এবং হিজবুল মুজাহিদিনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আবদুল মজিদের ইসলামাবাদে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।
উন্মুক্ত বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থানে এসব সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বহু ব্যক্তি পৃথক ঘটনায় নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে হিজবুল মুজাহিদিন, লস্কর-ই-তৈয়বা, জইশ-ই-মোহাম্মদ, আল-বদর, জামাত-উদ-দাওয়া এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের নামও রয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনার অধিকাংশই এখনো অমীমাংসিত। প্রকাশ্যে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই, যার ভিত্তিতে এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য নির্দিষ্ট কোনো পক্ষকে দায়ী করা যায়। বিভিন্ন পর্যবেক্ষকের মতে, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অপরাধমূলক বিরোধ, নিরাপত্তা সংস্থার অভিযান অথবা গোপন তৎপরতা—সবই সম্ভাব্য কারণ হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষ করে হিজবুল মুজাহিদিনের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের ধারাবাহিক মৃত্যু সংগঠনটির নেতৃত্ব কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলেছে এবং তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
















