ইয়েমেনে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী রাজধানীর বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালানোর পর বিদ্রোহী গোষ্ঠী সৌদি আরবের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। এতে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর আবারও উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে।
সরকারি বাহিনীর দাবি, ইরান থেকে বিদ্রোহী প্রতিনিধিদল বহনকারী একটি উড়োজাহাজের অবতরণ ঠেকাতেই বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার আগে বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ, কর্মী, কূটনৈতিক মিশন এবং মানবিক সংস্থাগুলোকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে বিদ্রোহী গোষ্ঠী জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজটি পরে লোহিত সাগর উপকূলীয় একটি বন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে। তাদের দাবি, উড়োজাহাজটিতে চিকিৎসার প্রয়োজন এমন যাত্রী, আটকে পড়া নাগরিক এবং একটি সরকারি প্রতিনিধিদল ছিল।
হামলার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করে বিদ্রোহী গোষ্ঠী পাল্টা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেয়। পরে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি জানানো হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।
এদিকে ইরানও বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়ে এটিকে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং ইয়েমেনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে ইয়েমেনে আবারও সহিংসতার নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।
















