একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার সভাপতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের উদ্যোগ নিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি বারবার লঙ্ঘন করেছেন এবং একাধিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন।
সংগঠনটির দাবি, বিষয়টি নিয়ে তারা এর আগেও ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার নীতিনৈতিকতা বিষয়ক কমিটির কাছে অভিযোগ করেছিল। তবে এখন পর্যন্ত তদন্ত শুরুর কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এ কারণে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির নজরে আনা হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী দায়িত্ব পালনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকতে হয়। এই নীতি লঙ্ঘিত হলে অর্থদণ্ড থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফুটবল–সংক্রান্ত সব কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনটির আরও অভিযোগ, একটি শান্তি পুরস্কার চালু করা এবং পরে সেটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নেওয়া হয়নি। যদি এসব সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে তা ক্ষমতার গুরুতর অপব্যবহার হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত বলে তাদের দাবি।
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির বর্তমান সভাপতি জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ তাদের কাছে পৌঁছায়নি। তবে অভিযোগ জমা পড়লে নীতিনৈতিকতা কমিশন বিষয়টি বিবেচনা করবে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট ফুটবল সংস্থা জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রাথমিক তদন্ত শুরুর সুযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগ জমা পড়লেই যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এছাড়া গোপনীয়তার কারণে অভিযোগকারী পক্ষকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয় না।
সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল আসরে এক খেলোয়াড়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অনুরোধের পর ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও সংশ্লিষ্ট সভাপতি এ সিদ্ধান্তে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
















