এশিয়ার কয়েকটি দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ভ্রমণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ফটোগ্রাফার ও ড্রোন অপারেটরদের লক্ষ্য করে গুপ্তচরবৃত্তিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে দাবী করে, জুলকার নাইন সায়ের তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে সতর্ক বার্তায় প্রকাশ করেন।
প্রচারিত ওই বার্তায় দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, চীন, ভিয়েতনাম ও নেপালে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এবং এসব দেশের সঙ্গে নিয়মিত ভ্রমণ বা পর্যটন কার্যক্রমে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করে প্রথমে পর্যটনকেন্দ্রিক ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের প্রস্তাব দেয় এবং এর বিনিময়ে আকর্ষণীয় পারিশ্রমিকের আশ্বাস প্রদান করে।
বার্তায় আরও বলা হয়, প্রাথমিকভাবে বিশ্বাস অর্জনের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিভিন্ন সংরক্ষিত এলাকা, সীমান্ত অঞ্চল, সামরিক স্থাপনা, বন্দর, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বা অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থানের ছবি, ভিডিও ও ড্রোন ফুটেজ সংগ্রহের অনুরোধ করা হয়। এসব কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বার্তায় দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক ও শিক্ষার্থী বিদেশে এ ধরনের অভিযোগে আটক হয়েছেন।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুরোধে কোনো সংরক্ষিত বা স্পর্শকাতর স্থানের ছবি, ভিডিও কিংবা ড্রোন ফুটেজ সংগ্রহ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক যোগাযোগ বা প্রস্তাব পেলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে অবস্থানকালে স্থানীয় আইন ও বিধিনিষেধ সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সামরিক, সীমান্ত বা সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
















