রাত ১২:৫৮, শনিবার,২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্য প্রকাশে সবসময়
Advertisement
  • মূলপাতা
    নেত্রকোনায় জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    নেত্রকোনায় জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের

    উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের

    চাহিদামতো গ্যাস না পাওয়ায় লোডশেডিং বাড়ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    চাহিদামতো গ্যাস না পাওয়ায় লোডশেডিং বাড়ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    প্রাইভেট পড়াতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

    প্রাইভেট পড়াতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

    রেললাইনে বসে গাঁজা সেবনের চরম পরিণতি

    রেললাইনে বসে গাঁজা সেবনের চরম পরিণতি

    চট্টগ্রামে একদিনে একাধিক স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

    চট্টগ্রামে একদিনে একাধিক স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাটা গ্রুপের গ্লোবাল সিইওর সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাটা গ্রুপের গ্লোবাল সিইওর সাক্ষাৎ

    রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করেছে: এডিবি

    রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করেছে: এডিবি

    ২৪ এপ্রিল: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

    ২৪ এপ্রিল: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
    নেত্রকোনায় জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    নেত্রকোনায় জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের

    উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের

    চাহিদামতো গ্যাস না পাওয়ায় লোডশেডিং বাড়ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    চাহিদামতো গ্যাস না পাওয়ায় লোডশেডিং বাড়ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    প্রাইভেট পড়াতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

    প্রাইভেট পড়াতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

    রেললাইনে বসে গাঁজা সেবনের চরম পরিণতি

    রেললাইনে বসে গাঁজা সেবনের চরম পরিণতি

    চট্টগ্রামে একদিনে একাধিক স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

    চট্টগ্রামে একদিনে একাধিক স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাটা গ্রুপের গ্লোবাল সিইওর সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাটা গ্রুপের গ্লোবাল সিইওর সাক্ষাৎ

    রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করেছে: এডিবি

    রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করেছে: এডিবি

    ২৪ এপ্রিল: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

    ২৪ এপ্রিল: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ
  • bn বাংলা
    • bn বাংলা
    • en English
No Result
View All Result
সত্য প্রকাশে সবসময়
No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

Correspondent 2 by Correspondent 2
এপ্রিল ২৪, ২০২৬
in অন্যান্য সংবাদ, স্বাস্থ্য
0
বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

একদিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৫ যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পরিস্থিতি জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় সংক্রমণ ছড়ানো, বিশালসংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়া, টিকাদানের অভাবে এ রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতায় ঘাটতি এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনাবলির আলোকে সংস্থাটি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ মূল্যায়ন করা হয়।

২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশের জাতীয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবিধি বা আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানায়, দেশে হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই বৃদ্ধি হয়েছে দেশের ভেতরে চলমান সংক্রমণের কারণে। জানুয়ারি থেকেই বাংলাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা স্পষ্টভাবে বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন মূল্যায়নের পর সংস্থাটির সাবেক পরামর্শক ও জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বলেন, সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়তে থাকায় আমরা বলেছিলাম, হামকে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণা করা হোক। এখন সরকারের উচিত জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা এবং টিকাদান এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ হাজার ১৬১ সন্দেহভাজন হাম রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত রোগী পাওয়া গেছে ২ হাজার ৮৯৭।

তবে পরিস্থিতির বিস্তারিত বিবরণে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৯৭৩ উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬৬ জনের। মৃত্যুহার বা সিএফআর ০ দশমিক ৯ শতাংশ। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম-সম্পর্কিত মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। এ ক্ষেত্রে মৃত্যুহার ১ দশমিক ১ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১২ হাজার ৩১৮ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯ হাজার ৭৭২ জন।

সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে, বস্তির রোগী বেশি

হাম রোগীর সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা যাচ্ছে ঢাকা বিভাগে। ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে ৮ হাজার ২৬৩। এরপর রয়েছে রাজশাহী বিভাগে ৩ হাজার ৭৪৭, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ হাজার ৫১৪ এবং খুলনা বিভাগে ১ হাজার ৫৬৮ জন।

ঢাকায় রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকায়। এর মধ্যে রয়েছে ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বস্তি এলাকা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দেশের আট বিভাগেই রোগী শনাক্ত হয়েছে। ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায়, অর্থাৎ ৯১ শতাংশ জেলায় রোগী পাওয়া গেছে। এটি দেখাচ্ছে, সংক্রমণ এখন জাতীয়ভাবে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) তথ্য বলছে, দেশের ৬১টি জেলায় হাম ছড়িয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের ৮৩ শতাংশের বয়স ৫ বছরের নিচে।

আক্রান্তদের বেশির ভাগই শিশু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালে যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু। এই হার ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে দুই বছরের কম বয়সি শিশু ৬৬ শতাংশ এবং ৯ মাসের কম বয়সী শিশু ৩৩ শতাংশ।

মোট ১৬৬ শিশুর সন্দেহভাজন মৃত্যুর তথ্য পাওয়ার কথা বলা হয় প্রতিবেদনে। তারা প্রধানত টিকা না পাওয়া দুই বছরের কম বয়সি শিশু।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বর্তমান প্রাদুর্ভাবের একটি বড় উদ্বেগ হলো, অনেক শিশু হয় টিকা পায়নি, নয়তো হামপ্রতিরোধী টিকার মাত্র এক ডোজ পেয়েছে। আবার কিছু শিশু ৯ মাস বয়সে টিকার উপযুক্ত বয়সে পৌঁছানোর আগেই আক্রান্ত হয়েছে। অধিকাংশ রোগী, অর্থাৎ ৯১ শতাংশ, ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু। এটি এই বয়সি শিশুদের মধ্যে বড় ধরনের রোগ প্রতিরোধঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

হাম কীভাবে ছড়ায়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ। এটি সব বয়সি মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। বিশ্বজুড়ে অল্প বয়সি শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ হিসেবে হাম এখনো বিবেচিত হয়।

এই রোগ বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির নাক, মুখ বা গলা থেকে বের হওয়া ড্রপলেটের মাধ্যমেও সংক্রমণ হতে পারে।

সংক্রমণের পর সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে প্রাথমিক উপসর্গ দেখা যায়। তবে এই সময়সীমা ৭ থেকে ২৩ দিন পর্যন্ত হতে পারে। উপসর্গের মধ্যে থাকে উচ্চ জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, কাশি এবং মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ।

সাধারণত সংক্রমণের ১০ থেকে ১৪ দিন পর শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। ফুসকুড়ি প্রথমে মাথায় শুরু হয়, এরপর ধীরে ধীরে শরীরের মাঝের অংশ এবং পরে নিচের অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকে ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন পর পর্যন্ত একজন রোগী অন্যদের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারে। হামের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। বেশির ভাগ মানুষ দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে।

জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি

সাধারণভাবে হাম মৃদু বা মাঝারি মাত্রার রোগ। তবে এটি গুরুতর জটিলতাও তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে আছে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, কানের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ, মস্তিষ্কে প্রদাহ বা এনসেফালাইটিস, অন্ধত্ব ও মৃত্যু।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণের পর এনসেফালাইটিস প্রতি এক হাজার রিপোর্ট হওয়া রোগীর মধ্যে প্রায় একজনের হতে পারে। আর প্রতি এক হাজার রিপোর্ট হওয়া রোগীর মধ্যে দুই থেকে তিনজনের মৃত্যু হতে পারে।

ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে হাম গুরুতর অসুস্থতা তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে আছে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু, বিশেষ করে যাদের ভিটামিন এ ঘাটতি আছে এবং যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল।

টিকাদানে ঘাটতি, আগের অগ্রগতিতে ধাক্কা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে এই প্রাদুর্ভাবের আগে বাংলাদেশ হাম নির্মূলের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছিল। হামপ্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজের কভারেজ ২০০০ সালে ছিল ৮৯ শতাংশ। ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয় ১১৮ শতাংশ। দ্বিতীয় ডোজ দেশব্যাপী চালুর পর ২০১২ সালে কভারেজ ছিল ২২ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয় ১২১ শতাংশ। একই সময়ে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম রোগীর হার দ্রুত কমে এসেছিল।

তবে ২০২৪-২৫ সালে দেশে এমআর টিকার জাতীয় পর্যায়ের ঘাটতির কারণে টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ বা এমআর১ ও এমআর২ কভারেজ কমে যায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিয়মিত টিকাদানের ফাঁক এবং ২০২০ সালের পর নিয়মিত দেশব্যাপী সম্পূরক হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি না থাকা। এসব কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা শিশুর সংখ্যা বেড়েছে এবং বর্তমান প্রাদুর্ভাব তৈরি হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে ঝুঁকি ‘উচ্চ’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। কারণ, একাধিক বিভাগে সংক্রমণ চলমান, বিপুলসংখ্যক শিশু সংক্রমণের ঝুঁকিতে, রোগ প্রতিরোধের ঘাটতি নথিভুক্ত এবং হাম-সম্পর্কিত সন্দেহভাজন মৃত্যু ঘটেছে।

টিকা না পাওয়া ও আংশিক টিকা পাওয়া শিশুদের মধ্যে রোগীর সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে এমন শিশুরাও আছে, যাদের বয়স টিকা পাওয়ার জন্য এখনো যথেষ্ট হয়নি। এটি অব্যাহত সংক্রমণ এবং গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে এই প্রাদুর্ভাব দেখাচ্ছে যে হাম নির্মূলে বাংলাদেশের আগের অগ্রগতিতে ধাক্কা লেগেছে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করছে, দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এখন আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়েছে। জরুরি ব্যবস্থা না নিলে সংক্রমণ আরও ছড়াতে পারে। তাই নজরদারি শক্তিশালী করা, দ্রুত রোগ শনাক্ত ও মোকাবিলা করা এবং ভালো মানের টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের ঘাটতি পূরণ করা জরুরি।

টিকাদান অভিযান শুরু

জাতীয় টিকাদান কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি বা এনআইটিএজি ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ দেশব্যাপী হাম-রুবেলা বা এমআর টিকাদান কর্মসূচি অনুমোদন করে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশু। এর সঙ্গে ৬ থেকে ৮ মাস বয়সি শিশুদেরও বিস্তৃত আওতায় আনা হয়েছে।

৫ এপ্রিল অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় এ কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ২০ এপ্রিল দেশব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়।

২০২৫ সালের ১৫ মার্চ সারা দেশে ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। চলমান প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত সব হাম রোগীকে ভিটামিন এ দেওয়া হচ্ছে। এটি নিয়মিত চিকিৎসা ও রোগী ব্যবস্থাপনার একটি জরুরি অংশ।

জেলা পর্যায়ের দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল বা আরআরটি সক্রিয় করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত টিকা সংগ্রহের ব্যবস্থাও করেছে।

প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার অন্যান্য ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে নিয়মিত টিকাদান জোরদার করা, হাসপাতালের প্রস্তুতি বাড়ানো, ভিটামিন এ সরবরাহ নিশ্চিত করা, রোগী আলাদা রাখার সক্ষমতা বাড়ানো এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা শক্তিশালী করা।

দেশজুড়ে নজরদারি ও রোগতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ জোরদারের কাজও চলছে। রোগ শনাক্ত ও রিপোর্টিং উন্নত করতে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুবিধার্থে সাপ্তাহিক পরিস্থিতি প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে।

সীমান্ত পেরিয়ে ছড়ানোর ঝুঁকি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মানুষের চলাচলের কারণে সীমান্ত পেরিয়ে সংক্রমণ ছড়ানোর উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি আছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারের মতো বড় নগরকেন্দ্র আন্তর্জাতিক যাতায়াত ও ট্রানজিটের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে দেশের ভেতরে ও বাইরে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়ে, বিশেষ করে যারা টিকা নেয়নি বা পুরোপুরি টিকা পায়নি, এমন ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে হাম স্থানীয়ভাবে বিদ্যমান। আঞ্চলিক পর্যায়ে ঝুঁকিকে ‘উচ্চ’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমারের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্ত দিয়ে মানুষের চলাচল চলমান সংক্রমণকে আরও বাড়াতে পারে। মিয়ানমারে টিকা না পাওয়া বা শূন্য ডোজ শিশুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে সেখানে নজরদারি ও প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা সীমিত।

ভারত উচ্চ টিকাদান কভারেজ অর্জন করলেও গত ছয় মাসে সেখানে হাম রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো বেশি সংক্রমণপ্রবণ শহর ভারতের সঙ্গে ব্যস্ত স্থলবন্দর ভাগ করে। এতে সীমান্তের ওপার থেকে সংক্রমণ প্রবেশের ঝুঁকি বাড়ে।

বিশ্ব পর্যায়ে ঝুঁকি ‘মধ্যম’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

কী পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব পৌর এলাকায় হামপ্রতিরোধী টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজে অন্তত ৯৫ শতাংশ সমান ও টেকসই কভারেজ বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে হাম ও রুবেলা সংক্রমণের ওপর নজরদারি জোরদার করতে বলেছে, যাতে সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সব সন্দেহভাজন রোগী দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

সংস্থাটি উচ্চ যাতায়াতপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছে। এতে সন্দেহভাজন হাম রোগী দ্রুত শনাক্ত ও মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। বিদেশ থেকে আসা হাম রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে আবার স্থানীয় সংক্রমণ স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত না হয়।

হাম মোকাবিলায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। সব পর্যায়ের মধ্যে স্থায়ী ও কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা থাকতে হবে।

প্রাদুর্ভাব চলাকালে হাসপাতাল পর্যায়ে যথাযথ রোগী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের ভেতরে সংক্রমণ ঠেকাতে রোগীকে আলাদা কক্ষে রাখা এবং হাসপাতালের অন্য রোগীদের সংস্পর্শে না আসাটা নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে, যদি তাদের টিকা নেওয়া বা হাম-রুবেলার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধক্ষমতার প্রমাণ না থাকে। এর মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মী, পর্যটন ও পরিবহন খাতে কর্মরত ব্যক্তি, হোটেল, বিমানবন্দর, সীমান্ত পারাপার, গণপরিবহন–সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারী।

উচ্চ যাতায়াতপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিবাসী জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত অভিবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা দিলে জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়বে।

সংক্রমণের সংস্পর্শে আসা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের তিন দিনের মধ্যে হামপ্রতিরোধী টিকা দেওয়া উচিত। যাদের টিকা দেওয়া যায় না বা তিন দিনের মধ্যে টিকা দেওয়া সম্ভব নয়, তাঁদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের ছয় দিনের মধ্যে বিশেষ ইনজেকশন দেওয়ার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। শিশু, গর্ভবতী নারী এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম—এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের পর্যাপ্ত মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

Previous Post

জাম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের মরদেহ নিয়ে বিরোধ, পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে সরকারের হস্তক্ষেপ

Next Post

এনসিপির ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে জনগণ: নাহিদ ইসলাম

Correspondent 2

Correspondent 2

Related Posts

আপনার খারাপ অভ্যাসেই নষ্ট হচ্ছে চার্জিং কেবল
অন্যান্য সংবাদ

আপনার খারাপ অভ্যাসেই নষ্ট হচ্ছে চার্জিং কেবল

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
0
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে তরুণদের চাকরি কমছে: ঋষি সুনাক
অন্যান্য সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে তরুণদের চাকরি কমছে: ঋষি সুনাক

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
0
ভার্চুয়াল মাইগ্রেশন: বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের নতুন দিগন্ত
অন্যান্য সংবাদ

ভার্চুয়াল মাইগ্রেশন: বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের নতুন দিগন্ত

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
0
বিশ্বের সেরা বিমানবন্দর কেন বারবার সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি?
অন্যান্য সংবাদ

বিশ্বের সেরা বিমানবন্দর কেন বারবার সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি?

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
0
বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি: বৈশ্বিক অগ্রগতির বিপরীতে উদ্বেগজনক চিত্র, করণীয় কী?
অন্যান্য সংবাদ

বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি: বৈশ্বিক অগ্রগতির বিপরীতে উদ্বেগজনক চিত্র, করণীয় কী?

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
0
শিক্ষক সংকটে ধুঁকছে বেনীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যাহত পাঠদান
অন্যান্য সংবাদ

শিক্ষক সংকটে ধুঁকছে বেনীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যাহত পাঠদান

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
0
Next Post
এনসিপির ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে জনগণ: নাহিদ ইসলাম

এনসিপির ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে জনগণ: নাহিদ ইসলাম

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • নেত্রকোনায় জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
  • ঘরোয়া ক্রিকেটের বেতন বাড়ানো প্রসঙ্গে যা বললেন মোসাদ্দেক
  • ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা সেই হলিউড অভিনেত্রীকে ভক্তের কুরআন উপহার, ভিডিও ভাইরাল
  • উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের
  • চাহিদামতো গ্যাস না পাওয়ায় লোডশেডিং বাড়ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

Recent Comments

No comments to show.

Archives

  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য

Browse by Category

  • Editorial
  • Emigrant News
  • English
  • Entertainment
  • National
  • Others
  • Regional and International
  • Sports
  • Uncategorized
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • আবহাওয়া
  • খেলাধুলা
  • দেশীয় সংবাদ
  • প্রবাসী বার্তা
  • প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • ভিডিও প্রতিবেদন
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
  • স্বাস্থ্য
  • About Us
  • Archives
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Home 1
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions

© 2025

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • দেশীয় সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বার্তা
  • অন্যান্য সংবাদ
  • আর্কাইভ

© 2025