দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট সার্ক-কে পুনরুজ্জীবিত করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
তুরস্কে অনুষ্ঠিত আন্তালিয়া কূটনীতি ফোরাম-এর একটি মন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সার্ককে পুনরায় কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
আলোচনায় অংশ নেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং আফগানিস্তানের পরিবহনমন্ত্রী আজিজি। তারা সবাই একমত হন যে দক্ষিণ এশিয়ায় সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং কেবল সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।
১৯৮৫ সালে ঢাকায় সার্ক সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই জোটটি ২০১৬ সালে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার কারণে শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত হওয়ার পর থেকে কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
ফোরামের ফাঁকে খলিলুর রহমান ও ইসহাক দারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্ক জোরদার এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান সংঘাত নিরসনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পাকিস্তানের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ফোরাম শেষে খলিলুর রহমান ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বিত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে যাওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে সার্ক পুনরুজ্জীবন এখন সময়োপযোগী উদ্যোগ হয়ে উঠতে পারে।
















