ন্যাটো প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের পর ক্ষোভ প্রকাশ, সদস্য দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ
যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো থেকে সরে যেতে পারে এমন আশঙ্কা, জোটে নতুন উত্তেজনা
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, প্রয়োজনের সময় ন্যাটো যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেয়নি এবং ভবিষ্যতেও দেবে না বলে তিনি মনে করেন। তার এই মন্তব্যে পশ্চিমা জোটে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বৈঠকের আগে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও বলা হয়, অনেক ন্যাটো সদস্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাশিত সহায়তা দেয়নি। বিশেষ করে কিছু দেশ আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি এবং সামরিক সহায়তাও পাঠায়নি।
বৈঠকের পর ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মন্তব্য করে সেটি অধিগ্রহণের ইঙ্গিত দেন, যা এর আগেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল।
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে বলেন, ট্রাম্পের হতাশা তিনি বুঝতে পারেন, তবে ইউরোপের অধিকাংশ দেশ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপে ইউরোপের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তবে তিনি স্বীকার করেন, সব দেশ সমানভাবে সহযোগিতা করেনি, যা নিয়ে ট্রাম্পের অসন্তোষ স্বাভাবিক।
এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যে জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যেতে পারে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা অনুমোদন প্রয়োজন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু ন্যাটো সদস্য দেশের প্রতি অসন্তোষের কারণে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশ থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছে।
ন্যাটো দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক এই পরিস্থিতিতে জোটের ভবিষ্যৎ ও ঐক্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
















