ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ ৩৪তম দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে তারা লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি, তবে বাস্তবে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।
ইরানের ভেতরে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। পাল্টা জবাবে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে, যদিও তেহরান তা সরাসরি অস্বীকার করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আলোচনা নিয়ে এখনো কোনো আস্থা তৈরি হয়নি।
এদিকে এক হামলায় ইরানের এক জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তার পরিবারের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
গালফ অঞ্চলেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করছে। কাতারের উপকূলে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
ইসরায়েলে নতুন করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
লেবাননে এক হামলায় হিজবুল্লাহর এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ইরাকেও একটি সামরিক ঘাঁটিতে বিমান হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ছে। বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে জানিয়েছে, এই সংঘাত মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
সব মিলিয়ে যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ না থাকলেও উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
















