প্রথাগত পদ্ধতির বদলে বিজ্ঞাননির্ভর ও স্থায়ী সমাধানের প্রস্তাবনা
মশার উপদ্রবকে জাতীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে ড্রোন, জিএম মশা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্থায়ী মশক নিধনের পথ দেখিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ বর্তমানে ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। প্রথাগত ধোঁয়া বা স্প্রে পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে লেখক কবীর আহমেদ ভূঁইয়া আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বেশ কিছু কার্যকর সমাধানের প্রস্তাব করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো জেনেটিকালি-মডিফায়েড (GM) মশার ব্যবহার, যা মশার প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে সংখ্যা দ্রুত হ্রাস করে। এছাড়া পরিবেশবান্ধব BTI লার্ভিসাইড, লার্ভা খেকো মাছের মাধ্যমে জৈবিক নিয়ন্ত্রণ এবং ড্রোন ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় ওষুধ ছিটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে স্মার্ট নজরদারি (Surveillance) এবং AI-ভিত্তিক পূর্বাভাস ব্যবস্থাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। সেন্সর ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম তথ্য সংগ্রহ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা সম্ভব।
পাশাপাশি Autocidal Gravid Ovitrap (AGO) ফাঁদ এবং স্মার্ট ড্রেনেজ সিস্টেমের মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার রোধে টেকসই পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। একটি জাতীয় ‘মশা নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি টাস্কফোর্স’ গঠন এবং বছরব্যাপী প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসূচি পালনের মাধ্যমেই কেবল এই জাতীয় সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।















