ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী জানিয়েছেন, ইরান তেহরান আশা করে বাংলাদেশ, যা একটি মুসলিম দেশ এবং ওআইসি ও ন্যাম সদস্য হিসেবে রয়েছে, আগ্রাসী হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি নিন্দা ও প্রতিবাদ করবে। তিনি বলেন, ইরানের কাছে পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি রয়েছে এবং তারা অন্য দেশের লজিস্টিক সাপোর্ট চাইছে না।
ইরান চায় মুসলিম দেশগুলো একে অপরের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন প্রকাশ করুক। রাষ্ট্রদূত আরও জানান, ইরানে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ দূতাবাস ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, মুসলিম দেশগুলো আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে এবং তাদের ভূখণ্ড অন্য দেশে হামলার জন্য ব্যবহৃত হতে দেবে না, যা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য জরুরি।
ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে তিনি বলেন, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আমেরিকা-ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে এবং ইরান যতদিন চায় যুদ্ধ চালাতে পারবে। তিনি আয়াতুল্লাহ খামেনির হত্যাকাণ্ডকে ‘কাপুরুষচিত’ উল্লেখ করে আমেরিকা ও ইসরাইলের ষড়যন্ত্র দাবি করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরান কখনো ইসরাইলে আগ্রাসী হবে না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শেষ রক্ত বিন্দু পর্যন্ত প্রতিরোধ করবে। তিনি ইরানের নেতৃত্ব নির্বাচনের ব্যাপারেও জানান, তিন সদস্যের একটি কমিটি বর্তমান নেতৃত্ব নিয়ন্ত্রণ করছে এবং নতুন নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব একটি বিশেষ কাউন্সিলের হাতে রয়েছে।
শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের জনগণ বাইরের আগ্রাসনের মুখে ঐক্যবদ্ধ এবং সরকার ও দেশের মধ্যে সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। যেকোনো সহযোগিতা বা প্রয়োজনীয় বিষয় জানালে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
















