মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার বলেছেন, নিজেদের মানুষ, মূল্যবোধ ও জীবনধারা রক্ষায় ইউরোপকে প্রয়োজনে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে ইউরোপকে “নিজের পায়ে দাঁড়াতে” হবে।
স্টারমার জানান, রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য তাদের বিমানবাহী রণতরী বহর আর্কটিক ও উত্তরাঞ্চলে মোতায়েন করবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অন্যান্য ন্যাটো মিত্ররাও এই উদ্যোগে অংশ নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, ভবিষ্যতে ইউক্রেন নিয়ে কোনো শান্তি চুক্তি হলেও রাশিয়ার পুনরায় অস্ত্রসজ্জা বাড়তে পারে, তাই আগ্রাসন ঠেকাতে প্রস্তুত থাকা জরুরি।
ন্যাটো জোটের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নীতির প্রতি যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকার “আগের মতোই দৃঢ়” বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। প্রয়োজনে মিত্রদের পাশে দাঁড়াতে ব্রিটেন প্রস্তুত—এ বার্তাও দেন তিনি।
সম্মেলনে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন বলেন, ইউরোপকে নিজ দায়িত্ব আরও বেশি নিতে হবে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে হবে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনও ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা জোরদারের আহ্বান জানান।
স্টারমার একই সঙ্গে ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রস্তাব দেন। তিনি স্বীকার করেন, বর্তমান সম্পর্ক “উপযুক্ত নয়” এবং কিছু ক্ষেত্রে একক বাজারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বিবেচনা করা যেতে পারে, যদিও এতে কিছু সমঝোতা লাগতে পারে।
দেশীয় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্টারমার বলেন, তিনি সপ্তাহের শুরু থেকে এখন আরও শক্ত অবস্থানে আছেন এবং নেতৃত্ব নিয়ে কোনো দুর্বলতা নেই।
















