দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস। তারা বলেছে, চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং অন্য কোনো শক্তির প্রভাবে এই সম্পর্ক প্রভাবিত হবে না।
বুধবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে চীনা দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের বক্তব্য পুরোনো ধাঁচের এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বাধীন ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে, যা বাইরের চাপের কারণে পরিবর্তিত হবে না।
সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, চীনের সঙ্গে নির্দিষ্ট চুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করতে ওয়াশিংটন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
এই বক্তব্যের জবাবে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র জানান, এ বিষয়ে তাদের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করা হয়েছে। তার ভাষায়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আবারও চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বিষয়টি বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করেছেন।
মুখপাত্র বলেন, চীন ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও সমর্থনের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে। দুই দেশের সহযোগিতা বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারত্বের একটি ভালো উদাহরণ। আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে চীন দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
চীনা দূতাবাস জানায়, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে গড়ে ওঠেনি। এসব সম্পর্ক বাইরের শক্তির প্রভাবে প্রভাবিত হবে না।
একই সঙ্গে দূতাবাসের মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, এই সম্পর্কের মধ্যে হস্তক্ষেপ বা বাধা দেওয়ার যে কোনো চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।
















