বন্দর এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে সিএমপির জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি
বিদেশিদের কাছে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল হস্তান্তরের প্রতিবাদে শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে স্থবির হয়ে পড়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তাল রয়েছে বন্দর এলাকা। শ্রমিক-কর্মচারীদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে বন্দরের মূল কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। গতকাল সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতির ফলে জিসিবি টার্মিনালসহ বিভিন্ন জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ও কন্টেইনার ওঠানো-নামানোর কাজ পুরোপুরি বন্ধ থাকে। শ্রমিক নেতাদের দাবি, সাধারণ শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
বার্থ অপারেটরস ওনার্স এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শ্রমিকরা কাজে যোগ না দেওয়ায় জেটিতে থাকা কন্টেইনারবাহী ও সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজের খালাস কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বার্থ অপারেটররা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। শনিবার শ্রমিক দলের ডাকা ৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের পর থেকেই বন্দরে অচলাবস্থা তৈরি হয়, যা রোববারও অব্যাহত থাকে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখতে তৎপরতা চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বন্দরের নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলার স্বার্থে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) বন্দর সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এক মাসের জন্য সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে। ১লা ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২রা মার্চ পর্যন্ত বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা, কাস্টমস মোড় ও সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় যেকোনো ধরনের জমায়েত বা অস্ত্র-বিস্ফোরক বহন দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারণাকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
















