যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে আরোপ করা শুল্কের বড় অংশ অবৈধ ঘোষণা করার পর প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক ফেরত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির কাস্টমস কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের আওতায় কানাডা, মেক্সিকো, চীনসহ ৯০টির বেশি দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করে প্রায় ১৬৬ বিলিয়ন ডলার আদায় করেছিল। তবে ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটে রায় দিয়ে জানায়, এ ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তার সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।
মঙ্গলবার আদালতে দাখিল করা নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) জানায়, সম্ভাব্য ও অনুমোদিত ফেরতের জন্য নির্ধারিত ১২৮.৬৮ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি অর্থ ইতোমধ্যে আমদানিকারকদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিগুলোকে শুল্ক ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
তবে আদালতের রায়ে ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের আওতায় আরোপিত ইস্পাত, গাড়ি ও তামাসহ নির্দিষ্ট শিল্পখাতের শুল্ক বহাল রয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে আরও শুল্ক আরোপ অব্যাহত রেখেছে। গত মাসে জোরপূর্বক শ্রম দমনে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগে কয়েক ডজন দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করা হয়।
নতুন এই শুল্কের বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, অ্যারিজোনা ও কলোরাডোসহ ২৫টি অঙ্গরাজ্য আদালতে মামলা করেছে। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টে বাতিল হওয়া শুল্ক নতুন অজুহাতে আবারও কার্যকর করার চেষ্টা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
















