গণভোটের প্রচারকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলায় ক্ষোভ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশকে ‘বিধিবহির্ভূত’ বলে দাবি করেছে দলটি। এনসিপির মতে, গণভোটের প্রচার এবং সাধারণ নির্বাচনের প্রচারণা এক নয়, তাই এই নোটিশটি অযৌক্তিক।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এই নোটিশ দেন। এর প্রতিবাদে এনসিপির নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম এক বিবৃতিতে দলের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
এনসিপির যুক্তিসমূহ:
- প্রচারণার বিষয়বস্তু: এনসিপির দাবি, বিতর্কিত ব্যানারটিতে কেবল ‘দেশ সংস্কারের গণভোট, হ্যাঁ এর পক্ষে থাকুন’ লেখা ছিল। এটি প্রার্থীদের ব্যক্তিগত প্রতীক ‘শাপলাকলি’ বা নির্বাচনের ভোট চাওয়ার কোনো অংশ ছিল না।
- বিধিমালা লঙ্ঘন হয়নি: দলটির মতে, গণভোটের প্রচারের জন্য নির্দিষ্ট বিধিমালা রয়েছে যা সাধারণ নির্বাচনের আচরণবিধি থেকে আলাদা। এখানে কোনোভাবেই নির্বাচনি আচরণ বিধিমালার ব্যত্যয় ঘটেনি।
- হয়রানির অভিযোগ: প্রার্থীদের নির্বাচনী কাজে বাধা সৃষ্টি করতেই এমন বিধিবহির্ভূত নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে দলটির নীতিনির্ধারকরা।
নোটিশের বিবরণ ও পরবর্তী পদক্ষেপ:
| তথ্য | বিবরণ |
| আসন ও প্রার্থী | ঢাকা-১১ (নাহিদ ইসলাম) ও ঢাকা-৮ (নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী) |
| অভিযোগ | নির্ধারিত সময়ের আগে বা প্রচারণার ধরনে আচরণবিধি লঙ্ঘন। |
| জবাবের সময়সীমা | সোমবার (১৯ জানুয়ারি), বেলা ১১টা। |
| স্থান | বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। |
রিটার্নিং কর্মকর্তার নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে হবে। এনসিপি জানিয়েছে, তারা আইনি পথেই এই শোকজের জবাব দেবে এবং সোমবার নির্ধারিত সময়ে তাদের প্রতিনিধি কার্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন।
















