ইংল্যান্ডে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার গর্ভবতী নারী মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা প্রকাশ করছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক নতুন বিশ্লেষণে এই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক সংকোচ ও ভয়ের কারণে প্রকৃত নির্যাতনের শিকার নারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)-এর মাতৃত্বকালীন সেবার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ ক্ষেত্রে নারীরা চলমান কিংবা অতীতে ঘটে যাওয়া পারিবারিক সহিংসতার কথা জানিয়েছেন। ‘ফর বেবিজ সেক ট্রাস্ট’ নামের একটি সংস্থার করা এই বিশ্লেষণে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন ট্রাস্টের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
রয়্যাল কলেজ অব মিডওয়াইভসের প্রধান নির্বাহী গিল ওয়ালটন বলেন, গর্ভাবস্থায় নারীরা নিয়মিত একজন স্বাস্থ্যকর্মীর সংস্পর্শে আসেন, যা সাধারণত মিডওয়াইফ। তাই পারিবারিক নির্যাতনের লক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার ক্ষেত্রে মিডওয়াইফদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে কেবল নির্যাতন শনাক্ত করাই যথেষ্ট নয় বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যস্ত হাসপাতাল ও মাতৃত্বকালীন ওয়ার্ডগুলোতে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর কাজের বাড়তি চাপ থাকায়, এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


























