ইরানের রাজনৈতিক বন্দিদের ওপর দমন-পীড়ন এবং বিচারিক কঠোরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে এক মতামতধর্মী নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়, ১ আগস্ট তেহরানের ইভিন কারাগারের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নিরাপত্তারক্ষীরা অভিযান চালিয়ে কয়েকজন রাজনৈতিক বন্দিকে মারধর করেন এবং ছয়জনকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান।
লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানান্তরিত বন্দিদের মধ্যে ইরানের বিরোধী সংগঠন পিপলস মুজাহিদিন অর্গানাইজেশন অব ইরান (PMOI/MEK)-এর সমর্থক এবং একজন শিশু অধিকারকর্মী রয়েছেন। তাদের অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিরোধী মতের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড এবং রাজনৈতিক বন্দিদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। লেখকের মতে, এসব পদক্ষেপ সরকারের ভিন্নমত দমনের বৃহত্তর অভিযানের অংশ।
মতামত নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সম্ভাব্য গণবিক্ষোভের আশঙ্কায় সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইরানের কারাগারগুলোতে স্বাধীন তদন্ত এবং রাজনৈতিক বন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।















