গাজার দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও প্রযুক্তিখাতে কর্মরত তরুণরা অনলাইনভিত্তিক কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহের নতুন পথ তৈরি করছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর সহায়তায় গড়ে ওঠা কো-ওয়ার্কিং স্পেস, সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নত ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করে অনেক ফ্রিল্যান্সার বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার, মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইট উন্নয়নের কাজ করছেন।
তবে এই খাত এখনও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি, ব্যাংকিং সীমাবদ্ধতা, আন্তর্জাতিক অর্থপ্রদান ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার না থাকা এবং কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানির নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রযুক্তিকর্মীদের আয় ও কাজের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকেই মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে অর্থ তুলতে গিয়ে আয়ের বড় অংশ হারাচ্ছেন।
এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও গাজার অনেক তরুণ প্রযুক্তিকর্মী ডিজিটাল অর্থনীতিকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন। বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ তাদের পরিবারকে সহায়তা করার পাশাপাশি যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে প্রযুক্তিখাতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ভিত্তিতে পরিণত করতে পারে বলে তারা আশা করছেন।















