Dhaka ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা প্রতিবাদের ভাষা নয়: জমিয়ত মহাসচিব

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী মন্তব্য করেছেন যে, ‘আমার দেশ’ পত্রিকা জনসম্মুখে ছিঁড়ে ফেলা কোনোভাবেই প্রতিবাদের সঠিক ভাষা হতে পারে না। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ, মতামত বা সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত থাকতেই পারে। তবে এর প্রতিবাদ করার জন্য সুন্দর ও সভ্য পদ্ধতি রয়েছে। জনসম্মুখে কোনো পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা বা অবমাননাকর আচরণের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়।

মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী আরও বলেন, সম্প্রতি রাজনৈতিক নেতা রাশেদ খান লাইভে এসে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা জনসম্মুখে ছিঁড়ে ফেলার যে ঘটনা ঘটিয়েছেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ তা সমর্থন করে না। মতের অমিলের কারণে সংবাদপত্রের প্রতি এমন আচরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের বহুত্ববাদী পরিবেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে না।

তিনি বলেন, একটি সংবাদপত্রের কোনো প্রতিবেদন বা বক্তব্যের সঙ্গে আপত্তি থাকলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার প্রতিবাদ করা, প্রতিবাদলিপি পাঠানো, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা অথবা আইনি পন্থায় বিষয়টি মোকাবিলা করা যায়। কিন্তু পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা, অপমান করা বা উত্তেজনাপূর্ণ প্রদর্শনী কোনোভাবেই সমস্যার সমাধান হতে পারে না।

জমিয়ত মহাসচিব আরও জোর দিয়ে বলেন, আজ যদি একটি পত্রিকার মতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে সেটিকে প্রকাশ্যে অপমান করা হয়, তাহলে আগামীকাল ভিন্নমতের অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমও একই ধরনের আচরণের শিকার হতে পারে। তাই রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মতভিন্নতাকে সহনশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি রাশেদ খানের ওই কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, প্রতিবাদ হতে হবে যুক্তি, তথ্য ও সভ্য ভাষায়। সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা বা অবমাননা করা প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা প্রতিবাদের ভাষা নয়: জমিয়ত মহাসচিব

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী মন্তব্য করেছেন যে, ‘আমার দেশ’ পত্রিকা জনসম্মুখে ছিঁড়ে ফেলা কোনোভাবেই প্রতিবাদের সঠিক ভাষা হতে পারে না। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ, মতামত বা সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত থাকতেই পারে। তবে এর প্রতিবাদ করার জন্য সুন্দর ও সভ্য পদ্ধতি রয়েছে। জনসম্মুখে কোনো পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা বা অবমাননাকর আচরণের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়।

মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী আরও বলেন, সম্প্রতি রাজনৈতিক নেতা রাশেদ খান লাইভে এসে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা জনসম্মুখে ছিঁড়ে ফেলার যে ঘটনা ঘটিয়েছেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ তা সমর্থন করে না। মতের অমিলের কারণে সংবাদপত্রের প্রতি এমন আচরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের বহুত্ববাদী পরিবেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে না।

তিনি বলেন, একটি সংবাদপত্রের কোনো প্রতিবেদন বা বক্তব্যের সঙ্গে আপত্তি থাকলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার প্রতিবাদ করা, প্রতিবাদলিপি পাঠানো, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা অথবা আইনি পন্থায় বিষয়টি মোকাবিলা করা যায়। কিন্তু পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা, অপমান করা বা উত্তেজনাপূর্ণ প্রদর্শনী কোনোভাবেই সমস্যার সমাধান হতে পারে না।

জমিয়ত মহাসচিব আরও জোর দিয়ে বলেন, আজ যদি একটি পত্রিকার মতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে সেটিকে প্রকাশ্যে অপমান করা হয়, তাহলে আগামীকাল ভিন্নমতের অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমও একই ধরনের আচরণের শিকার হতে পারে। তাই রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মতভিন্নতাকে সহনশীলতার সঙ্গে মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি রাশেদ খানের ওই কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, প্রতিবাদ হতে হবে যুক্তি, তথ্য ও সভ্য ভাষায়। সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা বা অবমাননা করা প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।