উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় ও যৌথ গবেষণা জোরদারে ইউজিসি ও পাকিস্তান এইচইসির মধ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন।
যৌথ গবেষণা, বৃত্তি ও শিক্ষার্থী বিনিময় বাড়াতে বাংলাদেশ ইউজিসি ও পাকিস্তান এইচইসির আলোচনা। ৫০০ ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপসহ নলেজ করিডোর উদ্যোগে সহযোগিতা গভীর করার পরিকল্পনা।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) উচ্চশিক্ষা উন্নয়ন, যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষক–শিক্ষার্থী বিনিময় এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সোমবার ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজের সঙ্গে পাকিস্তানের এইচইসির ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এই আলোচনা হয়।
পাকিস্তান এইচইসির প্রকল্প পরিচালক জেহানজেব খানের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল ‘নলেজ করিডোর’ উদ্যোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, চিকিৎসা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কৃষি, সামাজিক বিজ্ঞান ও উদীয়মান প্রযুক্তিতে পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তাদের মতে, নলেজ করিডোর দুই দেশের মধ্যে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, গবেষণা সহযোগিতা ও শিক্ষার্থী বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার তৈরি করবে।
বৈঠকে পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল স্নাতক পর্যায়ে (নন-ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল ও এলাইড হেলথ সায়েন্স ছাড়া) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০টি পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি প্রদানের ঘোষণা দেয়। তারা জানায়, পর্যায়ক্রমে বৃত্তির সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ফায়েজ বলেন, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে ইউজিসি ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা খাতে অগ্রগতি দুই দেশের মধ্যে গবেষণা ও শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে। তিনি আরও জানান, নলেজ করিডোর উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা অর্জনের সুযোগ বাড়াবে। ঢাকা আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষা সম্মেলনেও এই উদ্যোগ নিয়ে বিশেষ সেশন আয়োজন করা হবে।
বৈঠক শেষে দুই পক্ষ উচ্চশিক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে। পাশাপাশি পাকিস্তানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়।
















