অর্থ, ব্ল্যাকমেইল, সামাজিক ভাঙন ও জাতীয় নিরাপত্তা—বহুমুখী হুমকি তুলে ধরে ৭ দিনে ব্যবস্থা না নিলে রিটে যাওয়ার সতর্কতা
সুগার ড্যাডি চক্রের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সরকারকে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। অপ্রদর্শিত অর্থ, ব্ল্যাকমেইল ও জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি উল্লেখ করে ৭ দিনের মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
দেশে দ্রুত বিস্তার লাভ করা তথাকথিত ‘সুগার ড্যাডি’ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং জনমত—সবকিছু মিলিয়ে বিষয়টি এখন একটি গুরুতর সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এনবিআর এবং পুলিশ প্রধানকে রেজিস্ট্রি ডাক ও ই-মেইলে এই নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বলা হয়েছে—ধনী ও প্রভাবশালী এক শ্রেণির ব্যক্তি তরুণীদের অর্থ, বিলাসদ্রব্য ও বিদেশ ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলছে, যার অর্থের উৎস অধিকাংশই কালো টাকা বা মানিলন্ডারিং।
আরও উদ্বেগের বিষয়—অনেক তরুণীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও গোপনে ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, হুমকি, আর্থিক শোষণ ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে।
এতে পরিবার ভাঙন, সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কর্মকর্তা, কূটনীতিক বা বিদেশিদের লক্ষ্য করে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের কথাও উঠে এসেছে—যা সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, সাইবার ইউনিট ও এনবিআরকে নিয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
অস্বাভাবিক অর্থ প্রবাহের উৎস তদন্ত, অভিযুক্তদের শনাক্তকরণ, ব্ল্যাকমেইল ভিডিও অপসারণ এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থারও দাবি তুলে ধরা হয়।
নোটিশে বলা হয়েছে—৭ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট দায়ের করা হবে।সুগার ড্যাডি চক্রের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সরকারকে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। অপ্রদর্শিত অর্থ, ব্ল্যাকমেইল ও জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি উল্লেখ করে ৭ দিনের মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
















