দেশের বন্দরসংশ্লিষ্ট বিদেশি চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট ঘোষণা দিয়েছে—৩ ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি বাতিল না হলে ৪ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ঘেরাও করা হবে। সমাবেশে নেতারা চুক্তির গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
৩ ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি বাতিলের দাবি; চুক্তির শর্ত প্রকাশ না করাকে ‘গোপন উদ্দেশ্য’ বলে অভিযোগ
২৪ নভেম্বর ২০২৫ | ঢাকা
দেশের বন্দরসংশ্লিষ্ট বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে করা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট হুঁশিয়ারি দিয়েছে। জোটের দাবি—৩ ডিসেম্বরের মধ্যে এসব চুক্তি বাতিল না হলে ৪ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ঘেরাও করা হবে।
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এই ঘোষণা দেন জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।
‘চুক্তির শর্ত গোপন’—অভিযোগ সমাবেশে
বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, সরকারি–বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তির শর্ত প্রকাশে কোনো বাধা নেই, তবুও বর্তমান সরকার চুক্তির বিষয়গুলো গোপন রেখেছে। তার দাবি, “চুক্তির শর্ত প্রকাশ না করা মানে এতে এমন কিছু আছে যা জনগণের সামনে তুলে ধরতে সরকার সাহস পাচ্ছে না।”
সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, সরকারের বক্তব্যে আইনের শাসনের কথা বলা হলেও গোপন চুক্তির মাধ্যমে “জনস্বার্থ উপেক্ষা করা হচ্ছে।”
বাসদ (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া “অস্বচ্ছ, অযৌক্তিক ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী।” তার অভিযোগ, সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বন্দরকে “দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান” হিসেবে উপস্থাপন করছে—যা দেশের জন্য “কলঙ্কজনক।”
গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু বলেন, দেশের প্রবেশমুখের বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া “আত্মবিধ্বংসী উদ্যোগ।”
সমাবেশ থেকে বাম জোট সরকারকে চুক্তির সব নথি প্রকাশ ও দ্রুত চুক্তি বাতিলের দাবি জানায়।
















