ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের তিন দিনের ঢাকা সফরকে দুই দেশের গভীর বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ঢাকা ও থিম্পু। বৈঠকে বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং জিএমসি উন্নয়ন নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে।
শেরিং তোবগে ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, জিএমসি প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকনির্দেশনা।
ঢাকা,২৪ নভেম্বর ২০২৫:
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে—এমনটাই বলেছে দুই দেশের যৌথ বিবৃতি।
শনিবার ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত উষ্ণতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে, যেখানে উঠে আসে বাণিজ্য, যোগাযোগ, মানুষে-মানুষে সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা–সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।
উভয় নেতা চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
শেরিং তোবগে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন—যেখানে আলোচনার কেন্দ্র ছিল গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (GMC) প্রকল্প। বাংলাদেশ এ প্রকল্পে ভুটানের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেছে এবং সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ জানিয়েছে।
এ ছাড়া কুড়িগ্রামে ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত পণ্য পরিবহন সম্পন্ন হওয়ায় উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
এই সফরকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রোডম্যাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
















