Dhaka ১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি: বিশ্ববাজারে অস্থিরতার শঙ্কা, ইউরোপকে মজুত ছাড়ার আহ্বান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৩৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের কৌশলগত ডিজেল মজুতের একটি অংশ বাজারে ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও ইউরোপকে দ্রুত অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ ব্যারেল ডিজেল রপ্তানি করে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই রপ্তানি বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে।

সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য গত বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, তাদের কাছে এখনও কিছু কৌশলগত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং তাৎক্ষণিক ডিজেল সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। তবে, জ্বালানির দাম আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মোটরিং সংস্থা আরএসির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি লিটারের গড় দাম ১৯৯ দশমিক ৭৯ পেন্সে দাঁড়িয়েছে, যা পূর্বের ১৪২ দশমিক ৩৮ পেন্সের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, ডিজেল উৎপাদন তুলনামূলকভাবে কঠিন এবং এটি পরিবহন ও কৃষি খাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর চাহিদা দ্রুত কমানো সম্ভব নয়। যুক্তরাজ্যও ডিজেল আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

এদিকে, চীনও অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে অক্টোবরে কিছু জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি কমানো বা বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানি সীমিত হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহের ওপর চাপ আরও বাড়ছে।

ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র যদি ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে, তবে ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য আরও বৃদ্ধির তীব্র আশঙ্কা তৈরি হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি: বিশ্ববাজারে অস্থিরতার শঙ্কা, ইউরোপকে মজুত ছাড়ার আহ্বান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:৩৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের কৌশলগত ডিজেল মজুতের একটি অংশ বাজারে ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও ইউরোপকে দ্রুত অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ ব্যারেল ডিজেল রপ্তানি করে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই রপ্তানি বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে।

সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য গত বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, তাদের কাছে এখনও কিছু কৌশলগত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং তাৎক্ষণিক ডিজেল সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। তবে, জ্বালানির দাম আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মোটরিং সংস্থা আরএসির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি লিটারের গড় দাম ১৯৯ দশমিক ৭৯ পেন্সে দাঁড়িয়েছে, যা পূর্বের ১৪২ দশমিক ৩৮ পেন্সের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, ডিজেল উৎপাদন তুলনামূলকভাবে কঠিন এবং এটি পরিবহন ও কৃষি খাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর চাহিদা দ্রুত কমানো সম্ভব নয়। যুক্তরাজ্যও ডিজেল আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

এদিকে, চীনও অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে অক্টোবরে কিছু জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি কমানো বা বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানি সীমিত হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহের ওপর চাপ আরও বাড়ছে।

ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র যদি ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে, তবে ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য আরও বৃদ্ধির তীব্র আশঙ্কা তৈরি হবে।