জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রুদের বৈদেশিক ভাতা উত্তোলনের নিয়ম ভেঙে দুবাই স্টেশনে এক চেকেই ১৩ লাখ ৪৬ হাজার দিরহাম তুলে তা অবৈধ হুন্ডি চক্রের কাছে হস্তান্তরের মাধ্যমে শতকোটি টাকার নজিরবিহীন অর্থ পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। দুবাইয়ে সংঘটিত এই জালিয়াতির পর গত ১৫ মে বিজি-২৪৮ নম্বর ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছানো ফ্লাইট স্টুয়ার্ড এফএস শাকুরকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি স্বীকার করেন যে, দুবাইয়ে হুন্ডি এজেন্টের কাছে জমা রাখা বিপুল অর্থ ঢাকার উত্তরায় একটি মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে দেশে আনার পাঁয়তারা চলছিল। গত দুই বছর ধরে প্রভাবশালী একটি ক্রু সিন্ডিকেট কৌশল করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটের ফ্লাইট শিডিউল বাগিয়ে নিয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন ও লোপাট করেছে বলে ডিজিএফআই, সিআইডি ও অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে; যার পরিপ্রেক্ষিতে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
















