গাজায় দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণ এবং এর বিনিময়ে সেনা প্রত্যাহারের যে সমঝোতা ঘোষণা হয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সতর্ক আশাবাদ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দেশ ও মধ্যস্থতাকারীরা চুক্তিটিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে স্বাগত জানালেও এর সফল বাস্তবায়নই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মত দিয়েছেন তারা।
সমঝোতা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে অস্ত্র সমর্পণের পাশাপাশি গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার, নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং পুনর্গঠনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপ নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কার্যকর হওয়ার ওপরই পুরো প্রক্রিয়ার সাফল্য নির্ভর করবে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যও রয়েছে। একদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো দ্রুত পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে কিছু পক্ষ নিরস্ত্রীকরণের আগে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, সেনা প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি পক্ষ চুক্তির বিভিন্ন শর্ত নিয়ে আপত্তিও তুলেছে।
ইউরোপের কয়েকটি দেশ, পাকিস্তারসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল মনে করছে, চুক্তিটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে সংঘাত কমানোর পাশাপাশি মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। তবে পারস্পরিক আস্থা, কার্যকর তদারকি এবং সব পক্ষের প্রতিশ্রুতি ছাড়া এই উদ্যোগ সফল করা কঠিন হবে বলেও তারা সতর্ক করেছেন।
















