যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ তাদের প্রতিরক্ষা কৌশল পুনর্বিন্যাস করছে বলে এক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে পাকিস্তান আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতায় আরও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উঠে আসছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েত সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও জনবল সহযোগিতাবিষয়ক প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে। এর আগে সৌদি আরবও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। পাশাপাশি তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তার মধ্যে সম্ভাব্য নতুন নিরাপত্তা কাঠামো নিয়েও আলোচনা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিজ্ঞতার পর উপসাগরীয় দেশগুলো শুধু যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর ভরসা না করে বিকল্প অংশীদার খুঁজছে। একই সময়ে পাকিস্তান সৌদি আরব, ইরান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে মধ্যস্থতাকারী এবং কৌশলগত সহযোগী—উভয় ভূমিকায় নিজেদের অবস্থান জোরদার করার চেষ্টা করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এসব নতুন অংশীদারিত্ব মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও বহুমুখী করে তুললেও ভবিষ্যতের আঞ্চলিক সংকট ব্যবস্থাপনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। পাশাপাশি পাকিস্তানের জন্য এসব উদ্যোগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরে প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
















