হিমালয়ের পাদদেশ থেকে নেমে আসা শীতল বাতাসে সকাল থেকেই শীতের আমেজ, বাড়ছে শীতবস্ত্রের চাহিদা।
দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোরের কুয়াশা, শিশিরবিন্দু আর হিমেল বাতাসে শীতের আগমন টের পাচ্ছেন স্থানীয়রা। তেঁতুলিয়ায় রেকর্ড করা তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের শুরুতে হাটবাজারে কম্বল, লেপ ও জ্যাকেটের চাহিদা বেড়েছে।
পঞ্চগড়, ১০ নভেম্বর:
দেশে শীতের ছোঁয়া ধীরে ধীরে বাড়ছে, তবে সবচেয়ে আগে প্রকোপ টের পাচ্ছেন পঞ্চগড়বাসী। ভোরের কুয়াশা আর ঘাসের ডগায় ঝলমল করা শিশিরবিন্দু স্পষ্ট করে দিচ্ছে শীত নেমে এসেছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে রেকর্ড করা তাপমাত্রা ছিল ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ।
হিমালয়ের পাদদেশ থেকে নেমে আসা শীতল বাতাস এবং ভোরের কুয়াশায় সকাল থেকেই শীতের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। সূর্য ওঠার পর দিনভর হালকা উষ্ণতা থাকলেও সন্ধ্যার পর নেমে আসে শীতলতা। ফলে স্থানীয়রা লেপ-কম্বল ও সোয়েটার ব্যবহার শুরু করেছেন।
শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামীণ হাটবাজারে শীতবস্ত্রের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ভোরে ঘুম থেকে উঠলেই ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে। কম্বল, লেপ, চাদর ও জ্যাকেটের কেনাবেচা বেড়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন,
“পঞ্চগড় বাংলাদেশের শীতপ্রধান অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি। গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১৯ থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। আজ সকালেও রেকর্ড হয়েছে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে।”
শীতের শুরুতে উত্তরের মানুষের জীবনযাত্রায় বদল দেখা যাচ্ছে। ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠা, দিনের পোশাক, হাটবাজারের ক্রেতা-বিক্রেতার আচরণ সবকিছুতে স্পষ্ট শীতের ছোঁয়া।
















