মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সময় কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহ সংকটের মুখে পড়ার পর দেশীয় অপরিশোধিত তেল অনুসন্ধান বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব কমাতে নিজস্ব উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক ভারত জ্বালানির চাহিদার বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ায় দেশটির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়।
সংঘাতের কারণে অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত গ্যাস পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় ভারতের বাজারে জ্বালানির দাম এবং সরবরাহ উভয়ই প্রভাবিত হয়। পরে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে সাময়িক সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পর ধীরে ধীরে ওই নৌপথে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
এর ফলে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে। সরকার ধাপে ধাপে আগের বিধিনিষেধ শিথিল করছে এবং মূল্যবৃদ্ধিজনিত কিছু ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সংকট দেখিয়ে দিয়েছে যে আমদানিনির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই দেশীয় তেল অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়িয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়তে থাকায় নিজস্ব উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সরবরাহের উৎস বহুমুখী করা ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হয়ে উঠেছে।
















