নিরাপত্তা জোরদার ও সম্ভাব্য সংঘাত ঠেকাতে ড্রোন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিল যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধি
সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত প্রতিরোধ এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে তাইওয়ানকে আকাশ, সমুদ্রপৃষ্ঠ ও পানির নিচে পরিচালিত ড্রোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন দ্বীপটিতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধি।
মধ্যাঞ্চলের একটি ড্রোনবিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতায় ড্রোন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। তার মতে, শক্তিশালী ড্রোন ব্যবস্থা শুধু তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা নয়, পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের কার্যকারিতা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা কৌশলেও এ ধরনের প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, যাতে সম্ভাব্য যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়।
তাইওয়ান সরকারও সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নজরদারি, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং মানববিহীন সমুদ্রযানসহ বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এ লক্ষ্যে নতুন অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
তবে প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে মতভেদ রয়েছে। সরকার বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পক্ষে থাকলেও বিরোধীরা নিয়মিত বাজেটের আওতায় ব্যয় পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে।
এদিকে তাইওয়ানের নেতৃত্ব বলেছে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধের পরিবর্তিত কৌশলের কারণে অসম প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়েছে, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল তাইওয়ানের জনগণেরই রয়েছে।
















