নতুন সরকারের অধীনে অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সীমান্ত স্থিতিশীলতায় যৌথ উদ্যোগের বার্তা
মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং শনিবার রাজধানীতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এই বৈঠকে দুই দেশ পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং বলেন, মিয়ানমার সবসময় চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক হিসেবে দেখে। তিনি এক-চীন নীতির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং চীনের প্রস্তাবিত বিভিন্ন বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানান।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বাড়ানো, মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোর দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এখন অগ্রাধিকার।
একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করে চীনের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড হতে দেওয়া হবে না। অনলাইন জুয়া ও টেলিযোগাযোগ প্রতারণা দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং মিয়ানমারে চীনা নাগরিক ও প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
অন্যদিকে, ওয়াং ই বলেন, চীনের মিয়ানমার নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে। চীন মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় দৃঢ় সমর্থন জানায়।
তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার যেন নিজের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নের পথ বেছে নিতে পারে এবং জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারে—এ ক্ষেত্রেও চীন পাশে থাকবে।
চীন-মিয়ানমার অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনের ধারণা দুই দেশের উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া, অনলাইন জুয়া ও প্রতারণা দমনে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে চীন জানিয়েছে, তারা মিয়ানমারের আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোটের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারেও সহায়তা করবে।
















