যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগে অনিশ্চয়তা, নতুন করে প্রশ্ন আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে
ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, তার বিশেষ দূতরা আর পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন না, কারণ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতোমধ্যে দেশটি ত্যাগ করেছেন।
ট্রাম্প জানান, তিনি তার দূতদের সফর বাতিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন, যদিও এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন যে ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তাব দিচ্ছে।
আরাঘচি সফরের অংশ হিসেবে ইসলামাবাদ-এ এসে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক করেন এবং পরে সেখান থেকে ওমান ও রাশিয়া সফরে রওনা দেন।
তিনি জানান, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার একটি কাঠামো নিয়ে তিনি পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, তবে যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তিনি আবার পাকিস্তানে ফিরে আসতে পারেন, সফরের পরবর্তী ধাপে নতুন নির্দেশনা নিয়ে আলোচনার জন্য।
ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে কোনো আলোচনা হলে তা সরাসরি ফোনেই হতে পারে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে “সব কার্ড” রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের ইঙ্গিত দেয়, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী-এ চলমান অচলাবস্থা এবং অঞ্চলে বড় সামরিক উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে।
এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বে জ্বালানির একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়, ফলে এখানে উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলছে।
বর্তমানে পরিস্থিতি অনিশ্চিত—আলোচনা পুনরায় শুরু হবে কিনা, নাকি উত্তেজনা আরও বাড়বে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
















