নিরাপত্তা যাচাই উপেক্ষা নিয়ে তীব্র সমালোচনা
ঘটনার দায় নিয়ে পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগ
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ম্যান্ডেলসনকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদে নিয়োগ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কে পদত্যাগের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা যাচাইয়ে ব্যর্থতার বিষয়টি তাকে জানানো হয়নি, যা তাকে ক্ষুব্ধ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর নিরাপত্তা সংস্থার নেতিবাচক সুপারিশ উপেক্ষা করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে এবং তাকে এ বিষয়ে অন্ধকারে রাখা হয়েছিল। তিনি এ ঘটনাকে বিস্ময়কর ও ক্ষমার অযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।
এই ঘটনার পর পররাষ্ট্র দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সরকার জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই সংসদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যদিও তার অতীত সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক ছিল। পরবর্তীতে নতুন তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা সংস্থার সুপারিশ ছিল তাকে ওই পদে না দেওয়ার, কিন্তু তা উপেক্ষা করা হয়েছে। তবে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া নিয়মের মধ্যেই পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিরোধী দল এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেছে এবং বলেছে, পুরো বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তাদের মতে, এই ঘটনার দায় এড়ানো সম্ভব নয়।
এদিকে, ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি গোপন তথ্য ফাঁস করেছিলেন, যা এখন তদন্তাধীন।
এই ঘটনায় সরকারের স্বচ্ছতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং রাজনৈতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
















