“একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংসের হুমকি—তবুও নীরব বিশ্ব”, মন্তব্য জলবায়ু কর্মীর
যুদ্ধবিরোধী মনোভাব তরুণদের মধ্যে বাড়ছে, বলছে জরিপ
সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকাকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন।
ট্রাম্প যখন বলেন “একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে”, তখন এই বক্তব্যে বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়ার অভাব দেখে হতাশা প্রকাশ করেন থুনবার্গ।
এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এমন বক্তব্য প্রমাণ করে যে “গণহত্যা ও ধ্বংসকে স্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছে”।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের ভাষা ও যুদ্ধের হুমকি যদি প্রতিরোধ না করা হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয়ের পথ তৈরি করবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে এই যুদ্ধ ইস্যুতে প্রজন্মভেদে স্পষ্ট মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
জরিপ অনুযায়ী, তরুণদের একটি বড় অংশ ইরান যুদ্ধ এবং বৈদেশিক সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে সন্দিহান।
বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে যুদ্ধের সাফল্য নিয়ে আস্থা কম, এমনকি ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্যেও এই সন্দেহ লক্ষ্য করা গেছে।
একই সঙ্গে, অনেক তরুণ মনে করেন এই সংঘাত ইরানের সাধারণ মানুষের জন্য আরও ক্ষতিকর হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তরুণ প্রজন্মকে আরও সতর্ক করে তুলেছে, যার প্রভাব বর্তমান যুদ্ধ-দৃষ্টিভঙ্গিতে স্পষ্ট।
সব মিলিয়ে, থুনবার্গের মন্তব্য শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়—এটি বিশ্বব্যাপী তরুণদের ক্রমবর্ধমান যুদ্ধবিরোধী মনোভাবের প্রতিফলন বলেই মনে করা হচ্ছে।
















