ইরানকে নিয়ে নতুন করে কঠোর হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্ধারিত সময়সীমার আগে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান তার শর্ত না মানলে “একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে”।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘটতে পারে। তিনি বলেন, তিনি তা চান না, কিন্তু এমনটা ঘটতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন।
এর আগে তিনি হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দেন এবং তা না মানলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেন।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই ট্রাম্পের এই বক্তব্য নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় নেতারা তার মন্তব্যকে বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
তারা আরও বলেন, এই ধরনের বক্তব্য বিশ্বকে বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
কিছু আইনপ্রণেতা এমনকি ট্রাম্পকে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য দাবি করে সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের অনেক নেতা ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন এবং বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে ইরানও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো আক্রমণের জবাব দেওয়া হবে এবং তারা নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
















