রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের চার বছর পূর্তিতে দক্ষিণাঞ্চলে সীমিত ভূখণ্ড পুনর্দখলের দাবি করেছে ইউক্রেন। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, সাম্প্রতিক অভিযানে কয়েক শ বর্গকিলোমিটার এলাকা ফেরত নেওয়া হয়েছে।
সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কি বলেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে দক্ষিণে প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় অগ্রগতি হয়েছে। যদিও সামগ্রিকভাবে রাশিয়া এখনো ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে রেখেছে, তবু এই পাল্টা আক্রমণ রুশ বসন্ত অভিযানের প্রস্তুতিতে চাপ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। গত সপ্তাহে একাধিক দফায় হাজারের বেশি ড্রোন ও বহু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হলেও ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাফল্যের হার বেড়েছে বলে দাবি কিয়েভের।
যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে ইউক্রেন রাশিয়ার সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোয়ও পাল্টা হামলা জোরদার করেছে। দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার ভেতরে সামরিক কারখানা ও জ্বালানি স্থাপনায় আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে।
যুদ্ধের পঞ্চম বছরে প্রবেশের মুখে দুই পক্ষই বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জনে ব্যর্থ হলেও ক্ষয়ক্ষতি বিপুল। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে বিপুল আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়েছে এবং আরও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
জেলেনস্কি বলেন, “প্রশ্ন হলো আমরা জিতব কি না—হারছি কি না তা নয়।” দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতে সামরিক সমীকরণ ধীরে বদলালেও চূড়ান্ত ফলাফল এখনো অনিশ্চিত।
















