Dhaka ০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

গবেষক জেকব ককসনের পদত্যাগ, মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে এআই!

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:২৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অভাবনীয় ও দ্রুত অগ্রগতি মানবজাতিকে পুরোপুরি পৃথিবী থেকে মুছে ফেলতে পারে কি না—এই প্রশ্নটি এখন বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রযুক্তি যদি অদূর ভবিষ্যতে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা অতি-বুদ্ধিমত্তার পর্যায়ে পৌঁছায়, তবে আগামী এক দশকের মধ্যেই তা মানবজাতির জন্য অস্তিত্বের চরম সংকট ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকদের একটি অংশ। সম্প্রতি অ্যানথ্রপিক কোম্পানির গবেষক জেকব ককসনের পদত্যাগের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

মেশিন ইন্টেলিজেন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান ও আলোচিত বই ‘ইফ এনিওয়ান বিল্ড ইট, এভরিওয়ান ডাইস’-এর সহ-লেখক নেইট সোয়ারেস এই বিষয়ে আরও উদ্বেগজনক দাবি করেছেন। তার মতে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে এআইয়ের কারণে মানব বিলুপ্তির ঝুঁকি ১০ শতাংশেরও বেশি। পৃথিবীর শেষ মানুষটির শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের মতো সর্বনাশা পরিণতিও এর মাধ্যমে ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। তবে একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার কীভাবে মাত্র দশ বছরে পৃথিবীর ৮৩০ কোটি মানুষকে ধ্বংস করবে, তা নিয়ে বিজ্ঞান মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।

গবেষকদের একাংশের মতে, কোনো অতি-ক্ষমতাধর এআই মানুষকে ফুসলিয়ে গবেষণাগারে প্রাণঘাতী ভাইরাস তৈরি বা তা ছড়িয়ে দিতে প্ররোচিত করতে পারে। আবার কেউ কেউ স্বয়ংক্রিয় কিলার রোবট কিংবা পারমাণবিক অস্ত্রাগারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো শঙ্কার কথা বলেছেন। তবে এর বিপরীতে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও মাইক্রোবায়োলজিস্ট এরিক সং এবং এআই নাও ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী হেইডি ক্লাফ। তাদের মতে, ল্যাবরেটরিতে নিখুঁত ভাইরাস তৈরি বা কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে পারমাণবিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এআইয়ের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক হার্বার্ট লিনসহ অনেক বিশেষজ্ঞ এই ধরনের প্রলয়কালীন বা ডুমসডে তত্ত্বকে স্রেফ জল্পনা বা অতি-উৎসাহী কল্পকাহিনি বলে অভিহিত করেছেন। প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে অসম্ভবকে সম্ভব করার অনুভূতির মোহ থেকেই এআইয়ের এমন অসীম ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার কথা ভাবা হয় বলে তাদের মত। তা সত্ত্বেও, প্রযুক্তির এই লাগামহীন গতি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে।

জনপ্রিয়

বিগ ব্যাশে মুস্তাফিজকে বরণ করতে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশেষ ‘দ্য ফিজ বে’ গ্যালারি

গবেষক জেকব ককসনের পদত্যাগ, মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে এআই!

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:২৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অভাবনীয় ও দ্রুত অগ্রগতি মানবজাতিকে পুরোপুরি পৃথিবী থেকে মুছে ফেলতে পারে কি না—এই প্রশ্নটি এখন বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রযুক্তি যদি অদূর ভবিষ্যতে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা অতি-বুদ্ধিমত্তার পর্যায়ে পৌঁছায়, তবে আগামী এক দশকের মধ্যেই তা মানবজাতির জন্য অস্তিত্বের চরম সংকট ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গবেষকদের একটি অংশ। সম্প্রতি অ্যানথ্রপিক কোম্পানির গবেষক জেকব ককসনের পদত্যাগের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

মেশিন ইন্টেলিজেন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান ও আলোচিত বই ‘ইফ এনিওয়ান বিল্ড ইট, এভরিওয়ান ডাইস’-এর সহ-লেখক নেইট সোয়ারেস এই বিষয়ে আরও উদ্বেগজনক দাবি করেছেন। তার মতে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে এআইয়ের কারণে মানব বিলুপ্তির ঝুঁকি ১০ শতাংশেরও বেশি। পৃথিবীর শেষ মানুষটির শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের মতো সর্বনাশা পরিণতিও এর মাধ্যমে ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। তবে একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার কীভাবে মাত্র দশ বছরে পৃথিবীর ৮৩০ কোটি মানুষকে ধ্বংস করবে, তা নিয়ে বিজ্ঞান মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।

গবেষকদের একাংশের মতে, কোনো অতি-ক্ষমতাধর এআই মানুষকে ফুসলিয়ে গবেষণাগারে প্রাণঘাতী ভাইরাস তৈরি বা তা ছড়িয়ে দিতে প্ররোচিত করতে পারে। আবার কেউ কেউ স্বয়ংক্রিয় কিলার রোবট কিংবা পারমাণবিক অস্ত্রাগারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো শঙ্কার কথা বলেছেন। তবে এর বিপরীতে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও মাইক্রোবায়োলজিস্ট এরিক সং এবং এআই নাও ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী হেইডি ক্লাফ। তাদের মতে, ল্যাবরেটরিতে নিখুঁত ভাইরাস তৈরি বা কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে পারমাণবিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এআইয়ের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক হার্বার্ট লিনসহ অনেক বিশেষজ্ঞ এই ধরনের প্রলয়কালীন বা ডুমসডে তত্ত্বকে স্রেফ জল্পনা বা অতি-উৎসাহী কল্পকাহিনি বলে অভিহিত করেছেন। প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে অসম্ভবকে সম্ভব করার অনুভূতির মোহ থেকেই এআইয়ের এমন অসীম ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার কথা ভাবা হয় বলে তাদের মত। তা সত্ত্বেও, প্রযুক্তির এই লাগামহীন গতি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে।