সীমিত পরিসরে যাতায়াত শুরু মানবিক সহায়তার আশায় ফিলিস্তিনিরা
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গাজা ও মিশরের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংটি পুনরায় চালু হওয়ায় অবরুদ্ধ গাজাবাসীর জন্য এক নতুন আশার আলো তৈরি হয়েছে যা দীর্ঘ ১৮ মাসের মানবিক সংকট লাঘবে সহায়ক হবে
প্রায় ১৮ মাস পুরোপুরি বন্ধ থাকার পর গাজার গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংটি সীমিত পরিসরে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনেই গাজা থেকে বেশ কিছু আহত ফিলিস্তিনি এবং তাদের সহযোগীরা চিকিৎসার জন্য মিশরে প্রবেশ করেছেন।
মিশরীয় সীমান্ত কর্মকর্তাদের সূত্র অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে দৈনিক ৫০ জন রোগী এবং তাদের সঙ্গীদের এই ক্রসিং দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি বাহিনী এই ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনি অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এটি কার্যত অচল ছিল। এই ক্রসিংটি পুনরায় চালুর বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফার শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমানে অন্তত ২২ হাজার গুরুতর অসুস্থ রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য ক্রসিংটি পুরোপুরি চালুর অপেক্ষায় রয়েছেন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সহায়তা মিশন (EUBAM) তদারকি করছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘কান’ জানিয়েছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টার জন্য এই সীমান্ত খোলা থাকবে এবং কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মাধ্যমে যাত্রী পারাপার নিশ্চিত করা হবে। আল-কাহেরা নিউজের তথ্যমতে, গাজা থেকে মিশরে যাওয়ার পাশাপাশি কিছু সংখ্যক ফিলিস্তিনি গাজায় পুনরায় প্রবেশের অনুমতিও পাচ্ছেন।
এই সীমান্তটি পুনরায় চালু হওয়াকে গাজার মানবিক পরিস্থিতি উন্নয়নের পথে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
















