মধ্যপাড়া গ্রানাইট প্রকল্পের খননকাজে ব্যবহারের জন্য বেনাপোল বন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা
ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য বহনকারী আটটি ট্রাক বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং প্রকল্পের জন্য আমদানি করা এই চালানকে ঘিরে বন্দর এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ভারত থেকে প্রায় ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে আটটি ট্রাক বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। গতকাল শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল পাঁচটার দিকে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে এ বিস্ফোরক চালান দেশে আসে। একসঙ্গে এত বড় পরিমাণ বিস্ফোরক আমদানির ঘটনায় বন্দর এলাকা ও আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বন্দর ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিস্ফোরক বোঝাই ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশের পরপরই বন্দর এলাকার নির্ধারিত ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে নেওয়া হয়। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে চালানটি সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

আমদানিকৃত বিস্ফোরক দ্রব্য এনেছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। ভারতের সুপার সিভা শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড এই বিস্ফোরক দ্রব্য রপ্তানি করেছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানান, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং প্রকল্পের খনন কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য মোট ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা হয়েছে। বর্তমানে বিস্ফোরকবোঝাই ভারতীয় ট্রাকগুলো বন্দর এলাকার ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে কঠোর নিরাপত্তায় রাখা আছে।
তিনি আরও জানান, আমদানিকৃত চালান খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করবে। যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার পর বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো বাংলাদেশি ট্রাকে করে দিনাজপুরে পাঠানো হবে।
বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিস্ফোরক দ্রব্যের নিরাপদ সংরক্ষণ, খালাস ও পরিবহন নিশ্চিত করতে পুরো বন্দর এলাকাকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এই স্থলবন্দর দিয়ে এত বড় বিস্ফোরক চালান প্রবেশ করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
















