ইন্টারনেট বন্ধ করে তথ্য গোপনের মাধ্যমে গণহত্যার উসকানির অভিযোগ
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে বিশ্ব থেকে গণহত্যার তথ্য লুকানোর চেষ্টার অভিযোগে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আজ অভিযোগ গঠন বিষয়ক শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জয়ের নির্দেশনায় ও পলকের পরিকল্পনায় দেশে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট করে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। এই প্রেক্ষাপটে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ‘ফরমাল চার্জ’ গঠনের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরবে প্রসিকিউশন। যদিও পলকের আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করেছেন এবং পলাতক জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী লড়বেন। ইতিপূর্বে আদালত জয়কে আত্মসমর্পণের জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয়কে ইন্টারনেট বন্ধের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে যে, আইসিটি মন্ত্রণালয় পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের পথ রুদ্ধ করে দিয়ে নির্বিচারে হত্যার তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। পলক বাংলাদেশে থেকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই মামলাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে, কারণ ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কীভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে, তার বিশদ বিশ্লেষণ এই বিচারের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
















