প্রার্থীদের যোগ্যতা বিচারে প্রধান প্রভাবক ডিজিটাল প্রজন্মের ভোটাররা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণে মূল নিয়ামক হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছেন দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী যেখানে ১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়সী সাড়ে চার কোটি ভোটারের হাতেই থাকছে আগামীর ক্ষমতা।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট ভোটারের একটি বড় অংশই তরুণ। বুধবার জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা বর্তমানে প্রায় সাড়ে চার কোটিতে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় যুবনীতি অনুযায়ী ৩৫ বছর পর্যন্ত যুব হিসেবে গণ্য করা হলেও, ইসির পরিসংখ্যান তরুণ প্রজন্মের এই বিশাল শক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিপুল সংখ্যক ভোটারই মূলত আসন্ন নির্বাচনে ‘কিংমেকার’ বা ভাগ্যবিধাতা হিসেবে কাজ করবেন এবং তাদের ভোট যেদিকে যাবে, ফলাফল সেদিকেই মোড় নেবে।
ডিজিটাল প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত এবং সচেতন এই নতুন প্রজন্ম কোনো প্রথাগত রাজনৈতিক অনুগত্যের চেয়ে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা, স্বচ্ছতা এবং আধুনিক চিন্তাধারাকে অধিক গুরুত্ব দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন, তারা কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতিকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করছেন। রাজনীতির সমীকরণ বদলে দেওয়ার সক্ষমতা রাখা এই তরুণ জনশক্তিকে নিজেদের পক্ষে টানতে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী কৌশলেও এখন বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত প্রার্থীদের যোগ্যতা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রচারণাই এই বিশাল ভোটব্যাংকের মন জয় করার মূল চাবিকাঠি হবে।
















