ঢাবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে ভিড়, রাতভর সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে রাত গভীর হলেও মানুষের ভিড় অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের কবরস্থান ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সমাধিসৌধসংলগ্ন প্রবেশপথে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। কেউ কবরের বাইরে দাঁড়িয়ে দোয়া করছেন, কেউবা কবর জিয়ারতের আশায় অপেক্ষা করছেন।
রাতে কবরস্থানের সামনের অংশে আগের দিনের নিরাপত্তা বলয় কিছুটা শিথিল করা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক উপস্থিতি বজায় রাখা হয়েছে। শাহবাগ থানা ও টিএসসি এলাকার ব্যারিকেড তুলে নেওয়া হলেও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে রাতভর কবরস্থানে পুলিশি প্রহরা অব্যাহত থাকবে। এ সময় কবরস্থানের ভেতরে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ কেবল বাইরের অংশ থেকেই দোয়া ও জিয়ারত করতে পারছেন।

এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসংলগ্ন কবরস্থানে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়। দাফনকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খান, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ডাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং হাদির পরিবার-পরিজন।
এর আগে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় ইমামতি করেন হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক।
হাদির দাফন ও জানাজাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় দিনভর এবং রাত পর্যন্ত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
















