Dhaka ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের সমীকরণ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নিউইয়র্কে প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য ও নীতিবিশেষজ্ঞদের এক মিশ্র সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমার মনে হয়, পেছনে ফিরে যদি সম্পর্কটির দিকে তাকাই… তাহলে দেখতে পাই, বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আগের চেয়ে কঠিন হয়ে উঠেছে।’ তবে প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের জন্য বিষয়টি হয়তো কিছুটা অস্বস্তিকর হলেও পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অস্থির সময়ে শুল্ক আরোপ ও ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্রদের সঙ্গে কয়েক দশকের আস্থার সম্পর্কও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও তা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। ইউরোপ থেকে মধ্যপ্রাচ্য, এমনকি পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-সুরক্ষার ওপর নির্ভরশীল মিত্ররা এখন বিকল্প অংশীদারত্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। হামলার শিকার হলে ওয়াশিংটনের সহায়তা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তাদের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত দেশগুলোর নেতারাও ট্রাম্পের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন—অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবেও।

তবে এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একসময় গভীর সংকটে থাকা সম্পর্ককে এমন এক অংশীদারত্বে রূপ দিতে পেরেছে পাকিস্তান, যার প্রশংসা ট্রাম্প বারবার করছেন। যদিও ইসলামাবাদের সরকার দেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং নামেমাত্র বেসামরিক শাসন রেখে সামরিক শাসন পাকাপোক্ত করার অভিযোগে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে রয়েছে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। পাকিস্তান এমন একটি দেশ, যারা ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান পার্টির সাফল্য কামনা করবে। কারণ, বর্তমানে দুই কক্ষেই গুরুত্বপূর্ণ আসন হারানোর আশঙ্কা রয়েছে দলটির।

সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী—অসাধারণ একজন মানুষ—বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩ কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন।’

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের সমীকরণ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নিউইয়র্কে প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য ও নীতিবিশেষজ্ঞদের এক মিশ্র সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমার মনে হয়, পেছনে ফিরে যদি সম্পর্কটির দিকে তাকাই… তাহলে দেখতে পাই, বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আগের চেয়ে কঠিন হয়ে উঠেছে।’ তবে প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের জন্য বিষয়টি হয়তো কিছুটা অস্বস্তিকর হলেও পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অস্থির সময়ে শুল্ক আরোপ ও ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্রদের সঙ্গে কয়েক দশকের আস্থার সম্পর্কও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও তা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। ইউরোপ থেকে মধ্যপ্রাচ্য, এমনকি পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-সুরক্ষার ওপর নির্ভরশীল মিত্ররা এখন বিকল্প অংশীদারত্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। হামলার শিকার হলে ওয়াশিংটনের সহায়তা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তাদের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত দেশগুলোর নেতারাও ট্রাম্পের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন—অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবেও।

তবে এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একসময় গভীর সংকটে থাকা সম্পর্ককে এমন এক অংশীদারত্বে রূপ দিতে পেরেছে পাকিস্তান, যার প্রশংসা ট্রাম্প বারবার করছেন। যদিও ইসলামাবাদের সরকার দেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং নামেমাত্র বেসামরিক শাসন রেখে সামরিক শাসন পাকাপোক্ত করার অভিযোগে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে রয়েছে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। পাকিস্তান এমন একটি দেশ, যারা ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান পার্টির সাফল্য কামনা করবে। কারণ, বর্তমানে দুই কক্ষেই গুরুত্বপূর্ণ আসন হারানোর আশঙ্কা রয়েছে দলটির।

সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী—অসাধারণ একজন মানুষ—বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩ কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন।’