সরকার-ইসি সমন্বয়ে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট প্রস্তুতি চূড়ান্ত; ইউএনওদের নির্দেশনা, প্রচারণায় উদ্দীপনা, প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ব্যাপক সাড়া
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সরকার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। গণভোট প্রচারণা, ইউএনওদের দায়িত্ব নির্দেশনা ও প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—সরকার ও নির্বাচন কমিশন শুরু থেকেই এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ের প্রশাসন থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা সারা দেশের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলেছেন এবং নির্বাচনকে “ঐতিহাসিক ও স্মরণীয়” হিসেবে উপস্থাপন করে প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা-উপজেলায়, এমনকি ব্যক্তিগত আড্ডায়ও আলোচনা চলছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়সহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং নির্বাচন কমিশন সমন্বিতভাবে গণভোট প্রচারণা চালাবে বলে তিনি জানান।
শফিকুল আলম আরও বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য দুই মাসের বেশি সময় হাতে আছে, যা সরকারের জন্য যথেষ্ট। প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি জানান—পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে ৩ লাখের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন, যা “অভূতপূর্ব উদ্দীপনা” হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
ইউটিউব ও সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সমালোচনা করে প্রেস সচিব বলেন, কিছু কমেন্টেটর ও সিনিয়র সাংবাদিক ইচ্ছাকৃতভাবে কনফিউশন তৈরি করছেন। তার মতে, নির্বাচনী মাঠে বাস্তব চিত্র ভিন্ন—গ্রাম থেকে জেলা শহর পর্যন্ত নির্বাচনী উত্তাপ ও অংশগ্রহণের ঢেউ স্পষ্ট।
















