১৯টি ইউনিটের চেষ্টা অব্যাহত, শতাধিক ঘর পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা—ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখা যাচ্ছে দূর থেকে
মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে নয়। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে বলে জানান স্থানীয়রা। আগুনের কারণ এখনো জানা যায়নি।
রাজধানীর মহাখালী সংলগ্ন কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মঙ্গলবার বিকেল ৫টার কিছু পর আগুন লাগার পর থেকে রাত পর্যন্ত দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে বস্তির ঘরবাড়ি। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়ার পর একে একে ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে।
তিনি বলেন, “বস্তির ঘরগুলো টিন, বাঁশ, কাঠ আর লোহার তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।” আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
বস্তিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষই পোশাক শ্রমিক, রিকশাচালক, হকার বা দিনমজুর। আগুন লাগার সময় তাদের বেশিরভাগই বাসায় ছিলেন না—ফলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি স্থানীয়রাও খাল ও চাপকল থেকে পানি এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বস্তির বিশাল একটি অংশ জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে এবং আকাশজুড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠছে।
তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তবে বস্তিবাসীদের দাবি, শতাধিক ঘর ইতোমধ্যে পুড়ে গেছে, এবং অনেকে প্রাণের ভয়ে ঘরের শেষ সম্বলটুকুও বের করে আনতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে।
















