পাপুয়া নিউগিনি (পিএনজি) রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে তাইওয়ানের বাণিজ্য কার্যালয় বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটি বলেছে, ‘এক-চীন নীতি’র প্রতি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এর মূল লক্ষ্য চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ করা।
পিএনজির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাস্টিন টকাচেঙ্কো জানান, তাইওয়ানের বাণিজ্য কার্যালয়ের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করা হবে। এর প্রতিবাদ জানিয়েছে তাইপে এবং তারা কার্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে পাপুয়া নিউগিনি থেকে স্পট এলএনজি আমদানি স্থগিত করেছে তাইওয়ান। এর জবাবে চীন জানিয়েছে, তারা পিএনজি থেকে এলএনজি আমদানি বাড়াবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর নানা চুক্তি এবং উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এই সিদ্ধান্ত এসেছে। তাদের ধারণা, তাইওয়ানের কার্যালয় বন্ধের বিনিময়ে বেইজিংয়ের কাছ থেকে আরও বড় অর্থনৈতিক সুবিধা ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে চাইছে পাপুয়া নিউগিনি।
এদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ শুধু কূটনৈতিক নয়; প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাইওয়ানের আন্তর্জাতিক পরিসর আরও সংকুচিত করার চীনের বৃহত্তর কৌশলেরও অংশ। তবে শিক্ষা, কৃষি, সংস্কৃতি ও জনগণের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বিবেচনায় তাইওয়ানের সঙ্গে কিছু অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ বজায় রাখার পরামর্শও দিয়েছেন তারা।















