যুক্তরাষ্ট্র ইকুয়েডরের কুখ্যাত অপরাধী চক্রকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে সংগঠনটিকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, সংগঠনটি বেসামরিক নাগরিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর একাধিক হামলা ও আলোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংগঠনটির বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপ লাতিন আমেরিকায় সংঘবদ্ধ অপরাধ ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ। তাঁর অভিযোগ, ইকুয়েডরের অপরাধী চক্রগুলো প্রতিবেশী দেশের মাদক চক্রগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ মাদক পরিবহন ও পাচারের মাধ্যমে সহিংস কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র এর আগেও লাতিন আমেরিকার কয়েকটি অপরাধী চক্রকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে দেশটির প্রশাসনের দাবি।
ইকুয়েডর সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রতি এটি আন্তর্জাতিক সমর্থনের প্রতিফলন। সরকার অপরাধী চক্র নির্মূলে সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রাখারও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধী চক্রগুলোর সহিংসতা মোকাবিলায় ইকুয়েডরের বিভিন্ন অঞ্চলে কারফিউ জারি এবং সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারের আশা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার হলে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও মাদক পাচার দমনে আরও কার্যকর অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে।
















